Op Ed

আসন্ন বাজেট কেমন দেখতে চাই

Foto : Richard Smith - banglajibon.com

আসন্ন বাজেট কেমন দেখতে চাই

Banglajibon.com – আসন ন ব জ ট ক মন – বাংলাদেশের নির্বাচিত সরকার দ্রুত সময়ের মধ্যে অর্থবছরের বাজেট প্রস্তুত করবে। একটি নির্বাচিত সরকারের বার্ষিক বাজেট এর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যেমন পাঁচসালা পরিকল্পনার মধ্যে প্রোথিত থাকে। সুতরাং সেই বাজেট একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে কাজ করে এবং তার লক্ষ্যসমূহ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ভিত্তিতে উদ্ভূত হয়।

প্রত্যাশিত পরিকল্পনা কর্মসূচি

আমার মতে বাজেটে সংস্কার তালিকায় দীর্ঘমেয়াদি কাঠামোগত পরিবর্তন নয়। বরং স্বল্পমেয়াদি, সম্ভবপর এবং বাস্তবসম্মত সংস্কার বিষয়গুলোর অগ্রাধিকার পাওয়া উচিত। সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের কথা বলা হয়েছে যেখানে বলা হয়েছে কর্মসূচি সংখ্যা কমিয়ে ১০০টিতে নামিয়ে আনা হবে। সেগুলো সুবিধাভোগীদের সংখ্যা বাড়বে।

এই প্রস্তাব বাস্তবায়নযোগ্য এবং বাজেটের সময়সীমার মধ্যে সংস্কার করা যাবে। একইভাবে প্রকল্পের অতিরিক্ত ব্যয়ভার সংকোচন, দুর্নীতি এবং অসংগতি হ্রাস এসব প্রস্তাব বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কার হিসেবে চিহ্নিত হবে। আগামী বাজেট করতে পারে।

বাজেটের সংস্কার প্রয়োজন

এ বছরের এপ্রিলের শেষ নাগাদ সরকারি আয় আহরণ লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩৮ শতাংশ কম হয়েছে। ঋণ পরিশোধ এবং ভর্তুকির ব্যয়ভারও হবে বিপুল। প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে সম্পদ আহরণের জন্য আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভান্ডারের চাপও অব্যাহত থাকবে।

যেহেতু বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে এবং হাতে সময় কম, তাই সরকার সম্পদ আহরণের জন্য মূল্য সংযোজন কর বা আবগারি শুল্কের মতো অপ্রত্যক্ষ করের ওপর নির্ভরতার বর্তমান প্রবণতাকে অনুসরণ করবে।

সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে নানান চাহিদার মধ্যে একটা ভারসাম্য রক্ষা করতে হবে। ব্যয়ভার মেটাতে গিয়ে সরকারকে হয়তো শেষ পর্যন্ত ঋণ গ্রহণ করতে কিংবা টাকা ছাপাতে হতে পারে। সরকারি সম্পদের ব্যবস্থাপনায় এখানে-ওখানে টুকিটাকি কাজ সারার মধ্যেই প্রয়োজনীয় কার্যাবলি সীমাবদ্ধ থাকতে পারে।

বাজেটের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রাধান্য

আমি মনে করি, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের অগ্রাধিকার পাঁচটি বিষয়ের দিকে নিবদ্ধ থাকতে পারে—অর্থনৈতিক স্থিতাবস্থা নিশ্চিত করা; মূল্যস্ফীতি হ্রাস এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করা

Leave a Comment