সহজ সমাধান তবু উপেক্ষিতই থাকবে
সরকারের প্রকল্প ও গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া
সহজ সম ধ ন তব উপ ক – সহজ সমাধানের প্রস্তাব এবং উপেক্ষা করার প্রক্রিয়া বর্তমান সরকারের বাস্তবায়নে সমাধানের প্রস্তাব সৌর শক্তি উৎপাদনের নানা পরিকল্পনা প্রকাশ করছে। তবে এই পরিকল্পনাগুলি সাধারণ মানুষের জন্য সুবিধার দিকে নয়, বরং বৃহৎ উৎপাদন প্রকল্পগুলি কেন্দ্রিক। মানুষ বুঝতে কষ্ট হয় না যে এ দেশে যত বড় প্রকল্প রয়েছে, তত বড় কমিশন সৃষ্টি হয়। নীতিনির্ধারক এবং আমলা-প্রকৌশলীদের মনোযোগ অনেকটা বড় প্রকল্পের দিকে প্রবাহিত হয়।
৩ জুন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) বিদ্যুতের নতুন দর ঘোষণা করে। লাইফলাইন গ্রাহকদের প্রতি ইউনিট দাম ৪ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৫ টাকা ৩২ পয়সা হয়ে যায়। এই দাম বৃদ্ধি সম্পূর্ণ যাচাই না করেই বিইআরসি গৃহীত হয়। তবে এই শ্রেণির গ্রাহকদের জন্য দাম বৃদ্ধি করা হয় কিছু পয়সা বেশি।
দাম বৃদ্ধির প্রক্রিয়া এবং সরকারি মন্ত্রীর দৃষ্টিকোণ
বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) প্রথম দুই ধাপের (শূন্য থেকে ৫০ এবং শূন্য থেকে ৭৫) গ্রাহকদের দাম বাড়ানোর আবেদন জমা দিয়েছিল। কিন্তু বিইআরসি তা আমলে নিয়ে আবাসিক সব গ্রাহকের দাম বৃদ্ধি করে। লাইফলাইন গ্রাহক হিসেবে বিবেচিত মানুষের ঘরে স্বল্পমূল্যে আলো পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকার নিজেদের বিশেষ দৃষ্টি দেয়।
পিডিবি দাম বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। গত ২০ এবং ২১ মে গণশুনানি হয়। সেই পরিবর্তে আদেশ দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে ৯০ দিনের মধ্যে। কিন্তু এবার সময় ছিল মাত্র পাঁচ কার্যদিবস। সারা দেশে লাইফলাইন গ্রাহক আছেন ১ কোটি ৭৮ লাখ ৮২ হাজার। এই শ্রেণির মানুষের জীবনমান উন্নত হলে তাঁদের আর্থিক সংগতি বাড়তে পারে।
প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান গত শনিবার সাফাই গেয়ে বলেছেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর পরও আগামী বাজেটে এই খাতে ৪১ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হবে।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এক বৈঠকে সিদ্ধান্ত দিয়েছিলেন যে আগামী দুই বছর দাম বাড়ানো হবে না। বরং সিস্টেম লস হ্রাস করার জন্য নিয়ন্ত্রণ দুর্নীতি আর চুরি কমানো হবে।
সহজ সমাধানের প্রস্তাব প্রকাশ করার পর বর্তমান সরকার এই গুরুতর মন্ত্রী তথ্য উপদেষ্টার বক্তব্য বাস্তবায়ন করে দিয়েছেন। সমাধানের প্রস্তাব নিয়ে বিইআরসি দ্বারা ত্বর
