যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলি গুপ্তচরবৃত্তির হুমকিকে ‘সংকটজনক’ মাত্রায় উন্নীত করল পেন্টাগন
য ক তর ষ ট র ইসর – আর্জেন্টিন সংবাদমাধ্যম দুটি ঘনিষ্ঠ মিত্র দেশ ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন গোয়েন্দা অস্ত্র উদ্বেগ তুলে ধরেছে। এনবিসি নিউজ ও দ্য নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ওপর নজরদারি বাড়ানোর জন্য পেন্টাগন ইসরায়েলি গুপ্তচর হুমকির মাপানো মাত্রা উচ্চ থেকে সংকটজনক পর্যায়ে উন্নীত করেছে। প্রতিবেদনগুলোতে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই বিষয়টি গত শুক্রবার এনবিসি নিউজ প্রকাশ করে, যার পরদিন দ্য নিউইয়র্ক টাইমস বিস্তারিত তথ্য দেয়।
বিশেষ আলোচনা করে গোপন পর্যায়ে নজরদারি চালানো হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উপর। যে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে তাদের নিয়ে কাজ করছে ইরান যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আপত্তি বা মতপার্থক্য দেখা গেছে। বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু আর ডোনাল্ড ট্রাম্প মধ্যে যুদ্ধের ভবিষ্যৎ নিয়ে মত বিভেদ দেখা গেছে। ট্রাম্প স্পষ্ট ভাষায় যুদ্ধ শেষ করার প্রতি দৃঢ় কর্মসূচি নিয়েছিলেন যেখানে নেতানিয়াহু যুদ্ধ পুনরায় শুরু করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।
“এসব প্রতিবেদন ‘মিথ্যা’ বলে মন্তব্য করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মুখপাত্র।”
২০২৪ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের প্রাথমিক হামলার আগে ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনায় শ্রবণযন্ত্র স্থাপনের চেষ্টা করেছিল ইসরায়েলি সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা। পেন্টাগনের ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি (ডিআইএ) এই ঘটনাগুলো গোপনে বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে ইসরায়েলি গোয়েন্দা তৎপরতা উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা মহলে নতুন উদ্বেগ জাগিয়েছে এই ঘটনাগুলোর কারণে।
ডিআইএর স্বাক্ষরে দেখা গেছে যে ইসরায়েল বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সিক্রেট সার্ভিসে নজরদারি স্থাপনের প্রস্তাব তুলে ধরেছে। সেই সময় ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ বৃদ্ধির পর থেকে ওয়াশিংটন যুক্তরাষ্ট্রের সব মিত্র দেশের চেয়ে উচ্চতর সতর্কতা নিয়েছে।
গাজায় চলমান গণহত্যার সময়ও সেই সহায়তা অব্যাহত ছিল। এখনও যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের সামরিক বিভাগে আপত্তি বা মতপার্থক্য ঘটছে না বলে
