ফিলিস্তিনের মানুষ নয় যাদের মন কাঁদে না: বিশ্বকাপে মিসর কোচের বক্তব্য
ফ ল স ত ন র জন – ফিলিস্তিনের জনগণের দুর্দশা নিয়ে আকুত আবেগ ব্যক্ত করেছেন মিসর ফুটবল দলের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টাইব্রেকারে জয়ের পর ঐতিহাসিকভাবে শেষ ষোলোতে উঠার পর তিনি ফিলিস্তিনি সমর্থন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গাজায় চলমান যুদ্ধের কারণে ফিলিস্তিনি মানুষদের মৃত্যু অব্যাহত রয়েছে যদিও ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতি বিদ্যমান। প্রতিটি দিনে দুই হাজার বা তিন হাজার মানুষ গণহত্যার আঘাতে মারা যাচ্ছে এখন এটি কিছু প্রাণীর আঘাত থেকে বেশি নয় বলে মনে হয় হাসান।
জন্ম দেওয়া মানবিক অধিকারের কথা
‘পৃথিবীর যেকোনো জায়গায়, এমনকি ইউরোপ বা আমেরিকায়ও, যদি কেউ কোনও প্রাণীকে আঘাত করে, তাহলে সবাই প্রাণীর অধিকারের পক্ষে দাঁড়ায়। কিন্তু যখন একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একদিনে দুই হাজার মানুষ মারা যায়, তখন এটি কেবল সাধারণ ঘটনা বলে মনে হয়।’
এই কথাগুলি সোমবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন হোসাম হাসান। দুর্দশা বর্ণনা করতে সময় করেন তিনি চার মিনিটের বেশি সময়। এতে উপস্থিত সাংবাদিকরা করতালি দিয়ে তাঁকে অভিবাদন জানিয়েছিলেন।
গাজার মানুষ ও আঘাত
গাজার অন্তত ২০ লাখ ফিলিস্তিনি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়ে ধ্বংসস্তূপের মধ্যে জীবন যাপন করছেন। ইসরায়েলি হামলায় মৃত্যু হয়েছে অন্তত ৭৩ হাজার ৬৬ জন মানুষের মধ্যে অন্তত ২০ হাজার ১৭৯ জন শিশু। অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা পৌঁছেছে ৪৬৩ জনের মধ্যে অন্তত ১৫৭ জন শিশু।
ফুটবল মাধ্যমে বার্তা
‘ফুটবলের মাধ্যমে আমার বার্তা হলো দয়া করে ফিফার স্লোগানে যেমন পারস্পরিক সম্মান বলা হয়, তেমনি মানুষের বেঁচে থাকার অধিকারকেও সম্মান করা হোক।’
বিশ্বকাপে মিসর দলের অনুমান নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল হাসানের সম্ভাবনা। তিনি উত্তরে বলেন, তাঁদের ভয় নেই। ‘আমরা জানি যে আমাদের বিপক্ষে খেলছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন লিওনেল মেসির দল। কিন্তু আমরা তাঁদের ভয় পাই না।’
মঙ্গলবার আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠতে পারবে মিসর দল। তিনি আত্মবিশ্বাসে কথা জানিয়েছেন যে সমর্থকদের প্রত্যাশা পূরণ করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আমরা কোনওভাবেই আন্ডারডগ নই। প্রতিটি দিক থেকে আমরা বড় বলে মনে করছি।
সমগ্র আরব বি�
