সাতক্ষীরার হিমসাগর আম যাচ্ছে ইউরোপের বাজারে
স তক ষ র র হ মস – সাতক্ষীরার হিমসাগর আম ইউরোপের বাজারে আগমনের প্রস্তুতি গ্রহণ করছে এবং জার্মানি, ইতালি এবং ফ্রান্স সহ বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় আম চাষীদের আকর্ষণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদার বৃদ্ধি ও বিশেষ গুণাগুণের কারণে আম চাষি এবং রপ্তানিকারকদের মধ্যে উৎসাহের পরিবর্তন ঘটেছে। বিদেশে আম বিক্রির বিস্তার সাতক্ষীরা জেলার কৃষি উৎপাদন গুণমানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
প্রস্তুতি ও উৎপাদন তথ্য
বর্তমান মৌসুমে সাতক্ষীরা জেলায় প্রায় চার হাজার হেক্টর জমিতে হিমসাগর আম চাষ করা হচ্ছে। প্রতিবছর দ্বাদশবারের মতো উৎপাদন দেশের সীমা ছাড়া পৌঁছানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে যাতে ইউরোপের বাজারে স্থানীয় আম কোনও আকর্ষণ থেকে বিদেশে নিয়ে আসা সম্ভব হয়। উৎপাদনের লক্ষ্য হলো প্রায় ৭০ হাজার টন আম প্রস্তুত করা। এতে প্রতিবার রপ্তানি করা হচ্ছে দেড় টন আম যাতে জার্মানি, ইতালি এবং লন্ডনের প্রতিক্ষণে মান যাচাই করা হয়।
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার কাঁঠালতলা এলাকার আম চাষি হাফিজুর রহমান খোকা জানান, রপ্তানিযোগ্য আম কর্মপ্রক্রিয়া সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত করে প্রস্তুত করা হয়। নিয়মিত সেচ, ডাল ছাঁটাই এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। এ মৌসুমে উৎপাদন ভালো হলেও আমের আকার কিছুটা ছোট হয়েছে। তবে সাতক্ষীরার হিমসাগর আম স্থানীয় বাজারের তুলনায় প্রায় দেড় গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
রপ্তানি প্রক্রিয়া ও মান নির্ধারণ
রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান ঢাকার চেইন ইন্টারন্যাশনালের কো-অর্ডিনেটর মো. রাসেল জানান, ইউরোপের বাজারে সাতক্ষীরার হিমসাগর আমের চাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাগান থেকে আম সতর্কতার সঙ্গে সংগ্রহ করা হয় যাতে মান নির্ভরশীল হয়। ঢাকার প্যাকেজিং সেন্টারে নির্দিষ্ট মান যাচাই, সনদ গ্রহণ এবং বিশেষ প্রক্রিয়াজাতকরণের পর বিমানে করে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। সাতক্ষীরার হিমসাগর আম রপ্তানির প্রক্রিয়ায় কোনও বিশেষ তেজিয়ে রয়েছে যে ইউরোপের পাঠকদের পছন্দ করে।
মো. রাসেল বলেন, শনিবার দেড় টন সাতক্ষীরার হিমসাগর আম লন্ডন ও ইতালির উদ্দেশে পাঠানো হয়েছে। প্রতি মাসে প্রায় ১০০ টন আম বিদেশে রপ্তানির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। রপ্তানি প্র
