বিশ্বকাপে ডাক পেয়েই পেলে-রোনালদোদের ক্লাবে নেইমার
ব শ বক প ড ক প – ২০২৬ বিশ্বকাপে নেইমারের ডাক পাওয়া সন্দেহ এবং জল্পনার ঝড় ঘিরে ছিল। বিশেষ করে ইতালীয় কোচ কার্লো আনচেলত্তি সেলেসাওদের দায়িত্ব নেওয়ার পর তাঁর ক্লাবে ডাক পাওয়া হয়নি। কিন্তু সব অনিশ্চিততার পরিপ্রেক্ষিতে এই তারকা শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত স্কোয়াডে স্থান পেয়েছেন।
সেলেসাও: বিশ্বকাপে দুবার চ্যাম্পিয়ন
বিশ্বকাপের মাধ্যমে নেইমার ব্রাজিলের ইতিহাসের অনন্য এক ক্লাবে নাম লেখালেন। পেলে সহ আরও সাত বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি খেলোয়াড়। এই অষ্টম ব্রাজিলীয় তারকা চারটি বিশ্বকাপের দলে স্থান পেয়েছেন।
সেলেসাও খেলোয়াড়ের ক্যারিয়ারে রয়েছে দুবার বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার তকমা। তাঁর ঝুলিতে পুরো ক্যারিয়ারে কোনো লাল কার্ড না দেখার অনন্য রেকর্ড রয়েছে। তিনি পালমেইরাসের রেকর্ড ৪৯৮ ম্যাচ খেলেছেন।
লেয়াও: বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট জয়ী
ফিফা কর্তৃক সর্বকালের সেরা রাইটব্যাক হিসেবে নির্বাচিত হন লেয়াও। তিনি ১৯৫০, ১৯৫৪, ১৯৫৮ এবং ১৯৬২ সালে বিশ্বকাপে অংশ নেন। কিন্তু তিনি কেবল ১৯৫৪ সালে শুরুর একাদশে মূল গোলরক্ষক ছিলেন। বাকি আসরগুলোতে তিনি বারবোসা এবং জিলমারের ব্যাকআপ হিসেবে বেঞ্চে ছিলেন।
১৯৭০ সালে ব্রাজিল তৃতীয়বারের মতো বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হলে লেয়াওয়ের বয়স ছিল মাত্র ২০ বছর। তখন তিনি ফেলিক্স মিয়েল্লির বিকল্প ছিলেন।
কাফু: বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার রেকর্ড ধারণকারী
কাফু ইতিহাসের একমাত্র খেলোয়াড় যিনি টানা তিনটি বিশ্বকাপের ফাইনাল (১৯৯৪, ১৯৯৮ এবং ২০০২
