লিবিয়ায় নির্যাতনের শিকার যুবক দেশে ফিরে মাদারীপুরে হাসপাতালে ভর্তি
তুহিন সরকারের কাহিনী মাদারীপুরে ফিরেছে
ল ব য় য় ন র য – মাদারীপুরে অবস্থিত তুহিন সরকার (২৬) কে বিশেষ ভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে লিবিয়া হতে অসুস্থ হয়ে ফিরে আসার ঘটনার কারণে। তিনি কে ইতালি যেতে দালাল ধরেছিলেন, কিন্তু সেটা ঘটেনি। তুহিনকে লিবিয়ায় নিয়ে গেল দালাল চক্র এবং সেখানে দীর্ঘদিন ধরে নির্যাতন করা হয়েছে। ঘটনার পর তাঁর পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ হিসেবে ২৯ লাখ টাকা আদায় করা হয়।
তুহিন কে সরকারি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশে ফিরতে পেরেছেন লিবিয়া সরকারের সহায়তায়। বাংলাদেশে ফিরে আসার পর তিনি নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে মাদারীপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরিবারের লোকজন তাঁকে সেখানে নিয়ে আসেন। তুহিন কে আগে গত রোববার লিবিয়া হতে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়। নিজ বাড়িতে ফিরে পরে সোমবার সন্ধ্যায় তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এই ঘটনার পর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
অভিযুক্ত দুই দালাল একই এলাকার অপূর্ব সরকার ও দেবাশীষ বাড়ৈ। তাদের মোবাইল নম্বর বন্ধ থাকায় তাঁদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মাধ্যমে লিবিয়ায় আরও কয়েক দেশ ঘুরিয়ে তুহিনকে নিয়ে আসা হয়। তারপর তাকে স্থানীয় মাফিয়া চক্রের কাছে বিক্রি করা হয়। সেখানে তিনি জিম্মি করে নির্যাতনের শিকার হন। তুহিন সরকার বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়েছে। নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে পরিবারের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়। অভিযান চালিয়ে লিবিয়ার সেনাবাহিনী আমাকে সহ ১৭৪ জনকে উদ্ধার করে। তারপর লিবিয়া সরকারের সহায়তায় আমাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।”
“আমাকে লিবিয়ায় নিয়ে যাওয়ার পর পরিবার থেকে মুক্তিপণ হিসেবে আরও ২৯ লাখ টাকা আদায় করা হয়। অসুস্থ হয়ে পড়ি দেশে ফেরার পর সোমবার সন্ধ্যায়। আমার শারীরিক ও মানসিক দুর্দশা বাস্তব হয়েছে। পরিবার থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় করা হয়েছে আমাকে নির্যাতনের ভয় দেখিয়ে।”
তুহিন সরকার কে নির্যাতন চালানো হয়েছে লিবিয়ায় তাঁর আগে তাঁর বিশেষ আশ্বাস ছিল ইতালি যাওয়া। তিনি কে লিবিয়া সরকারের সহায়তায় দেশে ফিরেছেন। �
