ছয় লেন প্রকল্প ঘুরে দাঁড়াল বিস্তারের চাইতে
থমক আছ ৬ ল ন প রকল – ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ছয় লেন প্রকল্পে কোনো প্রতিক্রিয়া হতে পারেনি। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও কাজের কোনো স্পষ্ট উন্নতি দেখা যাচ্ছে না। এখন মাদারীপুরের বিশেষ করে প্রায় ৪৭ কিলোমিটার অংশ যানবাহনের চাপে মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে।
তবু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ এই সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে। কারণ এখন সরু রাস্তার কারণে ইজিবাইক ও ব্যাটারিচালিত ভ্যান এইসব যানবাহন চলছে। এগুলো থেকে দুর্ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে। কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ করে এই প্রকল্প সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। কিন্তু সরকারের অর্থ উপস্থাপনের সমস্যার কারণে বিদেশি দাতা সংস্থার সহায়তা ছাড়া কাজ চলছে না।
সরকার সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে একাধিক সূত্রে জানিয়েছেন, ছয় লেন সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত। পরিকল্পনা গৃহীত হলেও বাস্তবায়ন হয়নি। রাস্তার প্রস্থ বৃদ্ধির জন্য এখনও কোনো বড় উন্নতি হয়নি।
অংশিদার করা হয়েছে সড়কের বিস্তার
সড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৮ সালে ভাঙ্গা-মাদারীপুর-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়ক বিস্তারের প্রস্তাব নেওয়া হয়। তখনই ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়। ২০২৩ সালে মাদারীপুর অংশের ভূমি অধিগ্রহণের জন্য প্রায় ২৫৮ কোটি টাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়। অথচ দীর্ঘ সময়ে সেই কাজে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না।
প্রতিদিন যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রায় ১৯ হাজার যান দীর্ঘ দিন ধরে চলছিল পরিবহন। বর্তমানে এটি প্রায় ৩২ হাজার এ পর্যন্ত বেড়েছে। কিন্তু মাদারীপুরের অংশে সড়কের প্রস্থ কেবল ২৪ ফুট। ফরিদপুর ও বরিশাল অংশে রয়েছে ৩২ ফুট প্রস্থ।
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে দুর্ঘটনার হার বৃদ্ধি পেয়েছে
চলতি বছরের জানুয়ারি ১৮ তারিখে মহাসড়কটির মাদারীপুর সদর উপজেলার ঘটকচরে যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ইজিবাইককে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সাতজন।
প্রায় এক সপ্তাহ আগে জানুয়ারি ১৩ তারিখে তাঁতিবাড়ি �
