ছোটমণি নিবাসেও হামের থাবা
ছ টমণ ন ব স ও হ – ছোটমণি নিবাসে হাম সংক্রমণের কারণে প্রাথমিক স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে এ পর্যন্ত তিনটি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সর্বশেষ মৃত্যু ঘটেছে গত ৩১ মে রাতে রাজধানী ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত ছোটমণি নিবাসে, যেখানে একটি দুই বছর বয়সী শিশু খুশবু নামে পরিচিত হাসপাতালে চিকিৎসার পর দেহ ছেড়ে গেছে। বর্তমানে আরও তিনটি শিশু স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে রয়েছে। প্রতিটি শিশুকে আলাদা করে রাখার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কিন্তু সংক্রমণের দ্রুত বৃদ্ধি ঘটায় এ ব্যবস্থা সম্পূর্ণ কার্যকর হয় নি।
আজিমপুরের ছোটমণি নিবাস ছাড়াও রাজশাহী, খুলনা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও বরিশালে এ ধরনের স্থানগুলো রয়েছে। কিন্তু তাদের মধ্যে শুধু ঢাকার নিবাসেই হাম দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। এখানে মোট ৩৬ শিশু থাকছে যাদের মধ্যে অন্তত ১৭ জন সংক্রমিত। গত এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে পুলিশের মাধ্যমে উদ্ধার করা দুটি শিশু বর্তমানে এখানে আছে যার কারণে সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে।
গত এপ্রিলে নতুন শিশু আসার পর আমরা আলাদা করে রাখার ব্যবস্থা গ্রহণ করি। কিন্তু সম্পূর্ণ আলাদা রাখা সম্ভব হয় নি। স্বাস্থ্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসাধীন শিশুদের ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দিয়েছে যার কারণে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ে। ছোটমণি নিবাস রয়েছে এ পর্যন্ত মোট ছয়টি স্থান। কিন্তু ঢাকার স্থানে সংক্রমণ বৃদ্ধি হয়েছে বলে জানা গেছে।
হাম প্রতিরোধে গৃহ সংকট
ছোটমণি নিবাস ব্যবস্থাপনা নীতিমালার মতে শিশু ভর্তির সাথে সাথে স্বাস্থ্য পরীক্ষা, নিয়মিত চিকিৎসা পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় টিকাদান বাধ্যতামূলক। কিন্তু নিবাসে শিশুদের লালন-পালনের জন্য একটি ও খেলার জন্য একটি ঘর রয়েছে শুধু। ফলে রোগাক্রান্ত শিশুকে আলাদা করে রাখা সম্ভব হয় নি। সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক সমীর মল্লিক বলেন, জনবল সংকটের কারণে নতুন আসা বা আক্রান্ত বাচ্চাদের আলাদা রাখতে পারি না।
তিনি আরও বলেন, একেবারে নবজাতক শিশু নিবাসে আসে। কোনো বাচ্চাকে আলাদা করে রাখতে তিনজন কর্মী লাগে। মায়ের পক্ষে ২৪ ঘণ্টা সন্তানের দেখভাল করা সম্ভব হয় না। তবে যতটা সম্ভব তাদের সুরক্ষা বজায় রাখা চেষ্টা চালু রয়েছে। কার্যত আক্রান্ত শিশুদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে যার কারণে বিশেষ করে হামের ছড়ানো ঘটছে।
খুশবু র গৃহ সংকটের কারণে তার পরিবারে স্বাস্থ্য ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। তবে কোনো বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পন্ন করা হয় নি। হামে আক্রান্ত শিশুদের জন্য আলাদা ঘর সরবরাহ করা হয়েছিল কিন্তু সংখ্যার কারণে এটি কার্যকর হয় নি। এখন সমস্যার কারণে এ নিবাস বৃদ্ধি পেয়েছে।
আজিমপুরের ছোটমণি নিবাসে সংক্রমণের সম্ভাবনা আছে এবং প্রতিটি শিশুকে বিশেষ ধরনের পরিচর্যা দেওয়া হয়। কিন্তু কর্মীদে
