Bangladesh

এইচআইভি সংক্রমণে ৫ মাসে ৭ জনের মৃত্যু

কুমিল্লা জেলায় এইচআইভি সংক্রমণ বাড়ছে উদ্বেগজনক হারে

এইচআইভ স ক রমণ ৫ ম স – বর্তমানে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এআরটি সেন্টারে কুমিল্লা ও অন্যান্য ১৪ জেলা থেকে মোট ৫৪৬ জন রোগী চিকিৎসাধীন আছেন। এর মধ্যে কুমিল্লা জেলার বাসিন্দাদের সংখ্যা ৩৮৫ জন। কুমেক হাসপাতালের এআরটি সেন্টারের কাউন্সিলর কাম অ্যাডমিন মো. আরিফ হাসান তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

পাঁচ মাসে সাত জন মৃত্যুর খবর

চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে কুমিল্লা জেলায় এইচআইভি আক্রান্ত রোগীদের মৃত্যুর সংখ্যা দেখা দিয়েছে। সেন্টারের তথ্য অনুযায়ী, মে মাসে তিনজন রোগী মৃত্যুবরণ করেন। তাঁদের মধ্যে একজন ২১ বছর বয়স্ক, একজন ৪৯ বছর বয়স্ক এবং একজন ৩৫ বছর বয়স্ক পুরুষ। এ পর্যন্ত কুমিল্লা জেলার বাসিন্দাদের মধ্যে সবাই তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

প্রাকৃতিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে এইচআইভি ভাইরাস একটি মারাত্মক রোগের শেষ ধাপে পৌঁছায়। এই পর্যায়ে রোগীর ইমিউন সিস্টেম পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আগে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রক্ত সঞ্চালনের মাধ্যমে সংক্রমণ ঘটত। কিন্তু বর্তমানে বেশির ভাগ সংক্রমণ যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে হচ্ছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

এইচআইভি সংক্রমিত রোগী হিসাবে চিকিৎসাধীন রয়েছেন একটি নারী। তাঁর স্বামী কুমিল্লা ইপিজেডের একটি পোশাক কারখানায় কর্মরত ছিলেন। বিয়ের আগেই তাঁর স্বামীর এইচআইভি শনাক্ত হয়। কিন্তু তিনি বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন। স্বামী অসুস্থতার শেষ পর্যায়ে চিকিৎসার সময় স্ত্রী তার কথা জানতে পারেন। তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি নিজেকে পরীক্ষা করিয়ে এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার প্রমাণ পান। এখন তিনি কুমেক হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাঁদের একটি শিশু সন্তান রয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত ৬৭২টি নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে। এর মধ্যে এইচআইভি সংক্রমণের সনাক্তকরণ হয়েছে ৩৭ জনের শরীরে। তাঁদের মধ্যে পুরুষ যৌনকর্মী পাঁচজন, পুরুষ সমকামী যৌন সম্পর্কের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একজন মাত্র রয়েছে। দুজন বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে আক্রান্ত হয়েছে। তিনজন সাধারণ মানুষ, দুজন বিদেশ থেকে ফেরত এসেছেন। একজন নারী যৌনকর্মীর গ্রাহক এবং অন্য ছয় জন অন্যান্য শ্রেণির রয়েছেন।

বর্তমানে কুমিল্লা ছাড়াও নোয়াখালী, চাঁদপুর, ফেনী, লক্ষ্মীপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, সাতক্ষীরা, নরসিংদী, কুড়িগ্রাম, ঝিনাইদহ, হবিগঞ্জ ও বান্দরবান জেলার রোগীরা কুমেকের এআরটি সেন্টার থেকে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। এ পর্যন্ত ৪৬ জন রোগী মৃত্যুবরণ করেছেন এবং ১৩ জন চিকিৎসা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছেন।

প্রতিবছর এইচআইভি পরীক্ষার ফলাফল দেখা যায়: ২০১৯ সালে ২২৬ জন নমুনার মধ্যে ১৫ জন, ২০২০ সালে ৩১১ জনের �

Leave a Comment