Bangladesh

হাইব্রিড ধানের ফলন বিপর্যয়, শিষহীন খেতে ক্ষতির মুখে কৃষক

হাইব্রিড ধানের ফলন অপেক্ষাকৃত কম হওয়ায় কৃষকদের বেশি ক্ষতি হয়েছে

হ ইব র ড ধ ন র – চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নায়েরগাঁও উত্তর ইউনিয়নের চারটি গ্রামে বিএনআর নামে একটি হাইব্রিড মোটা ধান চাষ করে কৃষকদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছে। বাম্পার ফলনের আশা করে প্রায় ৭০ একর জমি জুড়ে হাইব্রিড ধান আবাদ করা হয়েছিল, কিন্তু অধিকাংশ খেতে ধানগাছগুলো শিষ বহন করেনি এবং কিছু খেতে যে শিষ আছে সেগুলো অধিকাংশই ফাঁপা। কয়েক মাসের শ্রম এবং লাখ লাখ টাকা বিনিয়োগ ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছে এখনো ফলনের কোনো আশা থাকার জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

শিষ নেই বলে ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষক

ক্ষতিগ্রস্ত গ্রামগুলো হলো গোবিন্দপুর, নন্দীখোলা, কাচিয়ারা ও বকচর। কৃষকদের কাছে শিষহীন খেত ঘটানোর ফলে তাঁদের কয়েকটি পরিবারের সারা বছরের আয় আংশিক বিপন্ন হয়েছে। নন্দীখোলা গ্রামে আয়েশা বেগম আড়াই একর জমিতে এই ধান চাষ করেছিলেন। নিজের জমির পাশে দাঁড়িয়ে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, “কোম্পানির লোকজন কইছিল, একরে ১০০ মণ ধান হইব। সেই কথা বিশ্বাস কইরা আড়াই একর জমিতে চাষ করছি। যা যা লাগে সব দিছি। চার মাস পার হইয়া গেছে, কিন্তু ধান নাই। এখন আমি কী নিয়া বাঁচমু?”

“ধান তো পাই নাই, এখন খড় কাটলেও লোকসান। কাটার মজুরি দেওয়ার সামর্থ্যও নাই।” বলেন গোবিন্দপুর গ্রামের একজন কৃষক।

বীজ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং কর্মকর্তা ওবায়দুর রহমান জানান, “আমরা ক্ষতিগ্রস্ত জমিগুলো পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি নিয়ে কোম্পানি অবগত আছে। মতলবে যেসব জমিতে সমস্যা হয়েছে, সেগুলোর অনেকগুলোতে আলু উত্তোলনের পর ধানের চারা রোপণ করা হয়েছিল। কেন এমন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কৃষকদের সঙ্গে আমরা কাজ করি। তাই তাঁদের সহযোগিতার বিষয়ে কোম্পানি অবশ্যই বিবেচনা করবে।”

মতলব দক্ষিণ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চৈতন্য পাল বলেন, “বিষয়টি সম্পর্কে আমরা অবগত। কৃষকদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা অপূরণীয়

Leave a Comment