Bangladesh

সম্পদ নিয়ে আতঙ্কে মাদক কারবারিরা

সম্পদ নিয়ে আতঙ্কে মাদক কারবারিরা

গোদাগাড়ীর হেরোইন কারবারির সম্পদ ক্রোক হয়েছে

সম পদ ন য় আতঙ ক ম – রাজশাহীর গোদাগাড়ী এলাকার হেরোইন কারবারিরা অবৈধ সম্পদ নিয়ে আতঙ্কে রয়েছেন। সম্প্রতি আদালতের নির্দেশে শীর্ষ দুই কারবারির সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে। গোদাগাড়ীর সহড়াগাছি গ্রামে বসবাস করে মো. আব্দুল্লাহ ও তাঁর স্ত্রী সায়েরা বেগমের নামে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করা হয়েছিল। তদন্তের পরিণতির পর রাজশাহী সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত তাঁদের সম্পদ ক্রোকের আদেশ দেন।

“ক্রোকাদেশ থাকা সম্পত্তি কোনোভাবেই বিক্রি বা হস্তান্তর করা যাবে না। আদালতের আদেশ যথাযথভাবে প্রতিপালন করা হবে।”

আরও ২০ জন মাদক কারবারির ব্যাপারে তদন্ত চলছে। গত বছরের শেষ দিকে অবৈধ সম্পদ খুঁজে বার করার জন্য কাজ শুরু হয়েছে। তালিকাভুক্ত কারবারিরা যারা বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও সম্পদ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আইনে মামলা করা হয়েছে। এ ছাড়া সেই আদালত গত ২৩ মে তারেক হোসেনের জমি ক্রোকের আদেশ দেন। তারেক গত ২২ এপ্রিল গরুর খামার থেকে সাড়ে ৬ কেজি হেরোইন নিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

তদন্ত প্রক্রিয়া গোদাগাড়ীর ১৮৪ জন কারবারির প্রতি প্রযোজ্য

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মেহেদী হাসান জানান, তাঁদের কার্যালয়ে গোদাগাড়ীর ১৮৪ জন কারবারির তালিকা রয়েছে। যারা হেরোইন সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করেন। সবাইকে একে একে তদন্তের আওতায় আনা হবে।

“ইতিমধ্যে দুজনের সম্পদ ক্রোক করা হয়েছে। আরও ২০ জনের ব্যাপারে তদন্ত করছি। তাঁদের সম্পদ খুঁজে দেখতে আমাদের ২০-২২টি দপ্তরের সঙ্গে কাজ করতে হচ্ছে।”

গোদাগাড়ী নাগরিক স্বার্থ-সংরক্ষণ কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন বিশ্বাস বলেন, কারবারিরা অবৈধ সম্পদ ক্রোক করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এটি ভালো খবর। আরও আগেই এই পদক্ষেপ দরকার ছিল। এ খবরে অন্য কারবারিরা আতঙ্কিত।

সংশ্লিষ্ট সূত্র বলেছে যে, সাগরপাড়া মহল্লার আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে সাতটি মাদকের মামল

Leave a Comment