পল্লিচিকিৎসক হত্যায় আদালতের আদেশ ঘোষণা
পল ল চ ক ৎসক হত য – ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১-এর বিচারক মো. রহিবুল ইসলাম মঙ্গলবার ভেলাপচার পল্লিচিকিৎসক মো. রেজাউল করিম ওরফে আবু ডাক্তারের হত্যার মামলার রায় ঘোষণা করেন। অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি বলে মামলার ১০ আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।
আসামি সাজা প্রাপ্ত
তিন জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ছয় জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়েছে। মৃত্যুদণ্ড পেয়েছেন বাবলু সরদার, টোকন সরদার এবং গাজীয়ার সরকার। যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন আতর আলী চেয়ারম্যান, রায়হান সরদার, হাবিবুর রহমান হবি সরদার, হেলাল খান, জিল্লুর রহমান এবং জিয়া মণ্ডল।
যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। রায় ঘোষণার সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন ১২ জন আসামি। তাদের মধ্যে ১০ জন খালাস পেয়েছেন। দুই জন আসামি জিল্লুর রহমান এবং জিয়া মণ্ডলকে সাজা পরোয়ানা সহ কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
ট্রাইব্যুনালের বিশেষ পিপি আব্দুর রশীদ মোল্ল্যা এসব তথ্য আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন।
হত্যার ঘটনা সমূহ
আতর আলী চেয়ারম্যানের ছেলে বাবলু সরদার এবং হাফিজুল ইসলাম চেয়ারম্যানের মধ্যে ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর গোয়ালন্দের দ্বিতীয় ওয়ার্ডে আওয়ামী লীগের সম্মেলন চলাকালীন কথা-কাটাকাটি ঘটে। এর পরিণতি হিসেবে আতর আলীর নেতৃত্বে বাবলু সরদার, টোকন সরদার, রায়হান সরদার এবং গাজীয়ার সরকারসহ বেশ কয়েকজন তিন রাস্তার মোড়ে আটকে মারধর করা হয়। সেই পথে ফিরছিলেন আবু ডাক্তার। তাঁকে আটক করে তাঁকে গুরুতর আহত করা হয়। তিনি গোয়ালন্দ হাসপাতালে প্রথমে নেওয়া হয়। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে তিনি মৃত্যু বরণ করেন।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গোয়ালন্দ থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলাটি তদন্তের পর ২০২২ সালের ৫ অক্টোবর পুলিশ দ্বারা ২২ জনকে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।
