Bangladesh

আমার মা ও বোনের হত্যার বিচার চাই: শিফাত

হত্যাকাণ্ডের পর বিচারের দাবি: শিফাত

আম র ম ও ব ন র – লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে মা ও তিন বোনের হত্যার ঘটনার পর বিচারের আবেদন জানিয়েছেন পরিবারের একমাত্র বেঁচে থাকা শিফাত ইসলাম। তিনি কান্নায় মুখরিত কণ্ঠে জানাচ্ছিলেন, এ হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতদের শরীর স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

জানাজা ও মরদেহের পরিবহন

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ধানহাটা সড়কে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। মরদেহগুলো দুটি অ্যাম্বুলেন্সে কুমিল্লার লটিয়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়। অপরদিকে গণপিটুনিতে নিহত অন্তর মজুমদারের শরীর হাসপাতালে পড়ে আছে। তাঁর পরিবার আসেনি।

“কার কাছে বিচার চাইব? কে বিচার করবে? আমার মেয়ে ও তিন নাতনির কোনো শত্রু ছিল না।”

ঘটনার দিন রায়পুর পৌরসভার ভাড়া বাসায় ঢুকে অন্তর মজুমদার শাহীনুর বেগম ও তাঁর তিন মেয়েকে আঘাত করে। তাঁদের মধ্যে শাহীনুর বেগম ও সায়মা আক্তার ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। ইকরা আক্তার ও শিফা আক্তার গুরুতর আহত হয়।

অভিযুক্ত ও তদন্তের প্রক্রিয়া

শিফাত হোসেন হত্যাকাণ্ডের বিচার চাইলে নিহত অন্তর মজুমদারসহ অজ্ঞাত আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনার দিন অন্তর মজুমদার সাত পুলিশ সদস্যকে ইট পাটকেল নিক্ষেপে আহত করে।

রায়পুর থানার তদন্ত কর্মকর্তা আবদুল মান্নান আরও একটি মামলা করেছেন। তিনি বলেন, এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত থাকতে পারে। দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি জানাচ্ছি। আমরা শিফাতের দায়িত্ব নিয়েছি।

আবদুর রাশেদ বলেন, বর্তমানে দুটি মামলা চলছে। কারণটি এখনো নিশ্চিত হয়নি। অন্তর মজুমদার নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর এলাকার কার্তিক মজুমদারের ছেলে। তিনি খোরশেদের ফল আড়ত থেকে রায়পুরে বিক্রি করতেন।

এ ঘটনার পর শিফাত তাঁদের বিচার দাবি জানান। ঘটনাস্থলে আহত হওয়ার পর শিফা আক্তার ঢাকা মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়। কিন্তু সেখানে তিনি মারা যান।

Leave a Comment