বেড়া ভাঙে সরকারি জমি দখলে পৌরসভার এক্সকাভেটরের ব্যবহার অভিযোগ
সরক র জম দখল করত প রসভ – ঢাকার সাভার উপজেলায় সরকারি জমি দখল করতে এক্সকাভেটরের ব্যবহার করে পৌরসভা পরিচ্ছন্নতা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পরিদর্শক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন। ঘটনার পর গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সাভার রাজস্ব সার্কেলের সহকারী কমিশনারের দপ্তর থেকে মামলা হয়েছে। তবে আজ মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ঘটনাস্থলে হকারদের ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। তবে জানা গেছে, পরিদর্শক সেলিম আহমদ প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই সরকারি জমির বেড়া ভাঙার জন্য এক্সকাভেটরটি সরবরাহ করেন। এ ধরনের অপরাধের কারণে তাঁকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
“স্থানীয় সংসদ সদস্যের নাম ব্যবহার করে জাহিদুর রহমান নামের এক ব্যক্তি রোববার রাত দেড়টার দিকে আমাকে এক্সকাভেটর পাঠাতে বলেন। চালককে ডেকে এনে রাতেই এক্সকাভেটর পাঠিয়ে দিই। পরে জানতে পারি, ওই এক্সকাভেটরের সাহায্যে সরকারি জমির দখল নেওয়া হয়েছে।”
অপর ব্যক্তি জাহিদুর রহমান অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। সাভারের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, “আমাকে না জানিয়েই সরকারি জমি দখলে সহায়তা করতে এক্সকাভেটর পাঠানো হয়েছে। এ ধরনের অপরাধের কারণে তাঁকে (সেলিম আহমদ) চাকরিচ্যুত করা হবে।”
সাভার থানায় মামলা করা হয়েছে সোমবার রাতে সরকারি জমি দখল ও ভাঙচুরের ঘটনার পর। স্থানীয় বাগধনিয়া ভূমি অফিসের ভূমি সহকারী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. জায়দুল হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন। মামলায় বলা হয়েছে, হকাররা প্রায় ১০০ ফুট স্টিলের শিটের বেড়া ভেঙে নিয়ে গেছেন। এতে সরকারের প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।
সাভার রাজস্ব সার্কেল কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ফুটপাত ও মহাসড়ক থেকে উচ্ছেদের পর একদল হকার গত রোববার দিবাগত রাতে সাভার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ছোট বলী মেহের মৌজার ভূমি মন্ত্রণালয়ের মালিকানাধীন দুই একরের বেশি জমি দখল করেন, যার মূল্য প্রায় ১০০ কোটি টাকা।
সাভার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরমান আলী বলেন, অভিযুক্তদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাই কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। গতকাল সরেজমিনে দেখা যায়, ইউএনও সাইফুল ইসলাম হকারদের সোমবার সন্ধ্যার মধ্�
