ঈদুল আজহা উপলক্ষে কোরবানি পশুর হাটে জমে উঠেছে বেচাকেনা
জম উঠ ছ ক রব ন র – পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা শহরের কোরবানি পশুর হাটগুলোতে বেচাকেনা জমে উঠেছে। গতকাল সোমবার থেকে ক্রেতাদের উপস্থিতি বেড়েছে, যদিও বড় আকারের গরুর চেয়ে ছোট ও মাঝারি গরুর উপর আগ্রহ বেশি দেখা গেছে। হাটগুলোতে বিক্রির ব্যবস্থা করছেন বিক্রেতারা বলেছেন, গরুর খাদ্য ও পরিবহনের খরচ বাড়লেও দাম সেই অনুযায়ী বৃদ্ধি পাচ্ছে না।
বিক্রেতারা নিয়ে আসা গরুর দাম ও পরিবহন খরচের বিষয়ে বক্তব্য
মেহেরপুরের ফেরদৌস শেখ এমন কথা জানান, তিনি হাটে আনা গরুগুলো প্রায় ২৮টি। তিনি বলেন, এগুলোর বড় গরুগুলো ওজন ১৩ থেকে ১৪ মণ। তাদের দাম চাইছেন ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। অন্যদিকে ৫ থেকে ৮ মণ মাংস পাওয়া যাবে এমন গরুগুলোর দাম ২ লাখ ৫০ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকার মধ্যে।
‘এ পর্যন্ত ৪টি গরু বিক্রি করেছি। সবগুলোই মাঝারি গরু।’
নাটোরের মো. করিম একটি হাটে ৯টি ছোট গরু নিয়ে আসেন। তিনি জানান, গরুগুলো থেকে প্রতি মণ মাংস পাওয়া যাবে ২ থেকে আড়াই মণ। তাদের দাম ৮৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। এ হাটে আরও ক্রেতারা তিনটি ছোট গরু কিনেছেন, যেগুলোর মূল্য মোট বেশি হয়েছে না।
‘আজকে সকালেই তিনটা গরু বেচছি। তিনটাই ছোট গরু।’
মেহেরপুরের মিনারুল ইসলাম একই হাটে ২৫টি বড় আকারের গরু নিয়ে আসেন। এর মধ্যে সবচেয়ে বড়টির ওজন প্রায় ২০ মণ। গরুটির দাম চাওয়া হচ্ছে ৮ লাখ টাকা। তিনি জানান, এই গরুটার দাম সাড়ে ৪ লাখ বলছি। এখনো কোনও গরু বিক্রি হয় নাই।
হাটগুলোতে গরুর দাম শুরু হয়েছে ৩ লাখ টাকা থেকে। আরেক ক্রেতা আজিমুর রহমান বলেন, তিন ভাই মিলে গরু কিনলাম। দাম পড়েছে ২ লাখ ৪৫ হাজার টাকা।
ব্যবসায়ীদের কথা অনুসারে দাম ও বিক্রির পরিস্থিতি
গাবতলী হাটে ছোট, মাঝারি ও বড় আকারের গরু পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রেতাদের দাবি, খাবার ও পরিবহনের খরচ বেড়েছে এবার তাদের মূল্য বৃদ্ধি পেলেও বিক্রি না হওয়ায় লোকসানের শঙ্কা রয়েছে। মোস্তমাঝি নিউ বনশ্রী হাটে মো. জুলহাস জানান, গত বছরের ২২ হাজার টাকার গাড়ি ভাড়া এবার ৩০ হাজার টাকা নিয়েছে। তিনি বলেন, ‘ভুসি ৬০ টাকা, খড় হাজার টাকা মণ—তাহলে গরুকে খাওয়াব কী?’
গরুর পরিবহন খরচ বেড়েছে আরও কিছু খামারি মো. রবিউল জানান, এবার প্রতি গরু পরিবহনে অতিরিক্ত প্রায় ৪৫০ টাকা
