Bangladesh

পাবনা পৌরসভা: দখলে হারাচ্ছে জলাধার

পাবনা শহরের জলাধার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য হারাচ্ছে

প বন প রসভ – পাবনা নগরীতে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার রয়েছে। বৃহত্তর স্থানে এগুলো কখনো সুপেয় পানির মুখ্য উৎস ছিল, ভূগর্ভস্থ পানির স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজে সহায়তা করেছিল এবং শহরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরিহার্য প্রমাণ ছিল। তবে এখন এসব জলাধার দখল ও দূষণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আছে। শহরের বেশির ভাগ জলাধার অবহেলার শিকারী হয়েছে।

গুরুতর পরিবর্তন হচ্ছে শহরের সম্মুখে

ডিসি অফিসের পেছনে বাচ্চু স্মৃতি সড়�ের পাশে অপরিসীম প্রাচীন জামতলা জলাধার (নীলকরদের পরিখা) বর্তমানে আংশিক ভরাটের সীমায় আটকে আছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষার কাজে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের কারণে তার অবশিষ্ট অংশ দখল করা হচ্ছে। সদর উপজেলার হিমসাগর পুকুরে প্রতিদিন আবর্জনা পড়ছে এবং পয়োবর্জ্য তৈরি হচ্ছে। কালাচাঁদ পাড়ার তালতলা পুকুর ড্রেনেজ লাইনের সংযোগে পানিতে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। জেলা প্রশাসনের অবহেলার কারণে জেলা পাড়া পুকুর স্বাভাবিক সৌন্দর্য হারিয়েছে। রাধানগর এলাকার মজুমদার পুকুর প্রায় ভরাটের পথে আছে।

“জলাধার ভরাট হয়ে যাওয়ায় শহরে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে পানির সংকট আরও বাড়বে। এতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভোগান্তিতে পড়বে।”

পাবনা পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. দুলাল উদ্দিন জানান, পৌরসভায় মোট কতটি জলাধার রয়েছে সেই তথ্য তাঁদের কাছে তাৎক্ষণিকভাবে নেই। বিস্তারিত তথ্য উপসহকারী প্রকৌশলীর কাছে রয়েছে। কিন্তু পরে একাধিকবার চেষ্টা করেও উপসহকারী প্রকৌশলীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পৌর প্রশাসক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, “এই মুহূর্তে আমি কিছু বলতে পারছি না। তথ্য অধিকার আইনে আবেদন করলে উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করব।”

জেলা পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. ইউসুফ আলী জানান, জলাধারের নির্দিষ্ট তালিকা তাঁদের কাছেও নেই। অভিযোগ পেলে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে যুতভাবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তামারা তাসবিহা বলেন, উপজেলায় সায়রাতভুক্ত জলমহাল ৩০টি রয়েছে, যার মধ্যে ১৯টি ২০ একরের বেশি আয়তন ধারণ করে। তবে অন্য জলাধারের পূর্ণাঙ্গ তালিকা ভূমি অফিসেও

Leave a Comment