উন্নয়নের নতুন হিসাব: এগোতে হলে লাগবে নতুন মডেল
প্রাকৃতিক প্রবৃদ্ধির মডেলের পরিবর্তন
উন নয়ন র নত ন হ স – বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির কৌশলের প্রাকৃতিক অবস্থা দীর্ঘ সময় ধরে দেখা যাচ্ছে। সস্তা শ্রম ও একক রপ্তানি পণ্যের উপর ভিত্তি করে এই মডেল তিন দশক ব্যাপী দেশটিকে নিম্ন আয়ের শ্রেণী থেকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের পর্যায় পর্যন্ত নিয়ে আসে। কিন্তু বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিবর্তনের সম্মুখীন হওয়ায় এই পদ্ধতি এখন সীমাহীন সফলতা দেখায় না। দেশি-বিদেশি বিশ্লেষকদের মতে এই মডেল দিয়ে আরও উন্নয়নের পথে যাওয়া কঠিন হয়ে উঠেছে।
বিশ্বব্যাংকের সর্বশেষ গবেষণাপত্র ‘মধ্যম আয়ের ফাঁদ’ (২০২৪) প্রকাশ করেছে যে মধ্যম আয়ের দেশগুলো উন্নয়নের নতুন সমীকরণের উপর নির্ভর করে। এখন উন্নয়নের হিসাব আর শুধু জিডিপির মান বা মাথাপিছু আয়ের অঙ্কে সীমাবদ্ধ নয়। প্রযুক্তি গ্রহণ, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক গতিশীলতা বৃদ্ধি করা আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে।
বর্তমান অবস্থার বিশ্লেষণ
বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় প্রায় ৩ হাজার ২০ মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। যদিও একসময় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৭ শতাংশের বেশি ছিল, বর্তমানে এটি ৪ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে। দীর্ঘস্থায়ী মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার সংকট সামনে আসছে।
বিনিয়োগ এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি হওয়া সত্ত্বেও সামষ্টিক স্থিতিশীলতা ও ধারাবাহিক সংস্কার প্রয়োজন হচ্ছে। সরকারের লক্ষ্য অনুযায়ী উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার জন্য দুই দশকের মধ্যে বিনিয়োগ হার তুলে নেওয়া প্রয়োজন। বর্তমানে বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির প্রায় ২৪ শতাংশে স্থায়ী হয়ে পড়েছে।
‘উন্নয়নের ইতিহাসে সফল হয়েছে সেই দেশগুলো, যারা সময়মতো প্রবৃদ্ধির চরিত্র বদলাতে পেরেছে।’ ড. মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, বাংলাদেশের সামনে এখন এই পরীক্ষা অপেক্ষা করতে হবে। প্রচলিত প্রবৃদ্ধির শক্তি ধরে রেখে নতুন ভিত্তি গড়ে তোলা অপরিহার্য।
উদ্ভাবনের গুরুত্ব
হার্ভার্ড গ্রোথ ল্যাবের অ্যাটলাস অব ইকোনমিক কমপ্লেক্সিটি বিশ্লেষণ অনুযায়ী দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি অর্জনের জন্য শুধু রপ্তানি পরিমাণ বৃদ্ধি করা �
