মশা ঠেকাতে মেয়রের আমেরিকা উড়ালচেষ্টার তীব্র সমালোচনা
Banglajibon.com – মশ ঠ ক ত ম য়র র – চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র শাহাদাত হোসেন এবং পাঁচজন কর্মকর্তার দল দুটি আমেরিকার শিকাগো ও ফ্লোরিডা গমনের ব্যবস্থা করেছিলেন, যাতে মশা নিধনের সমাধান শিখতে পারেন। সিটি করপোরেশনের আলোচনায় তাঁদের সঙ্গে নগরীর সার্বিক স্থিতি বিশ্লেষণ করার জন্য স্থানীয় কর্মকর্তারা যোগদান করেছিলেন।
ডেঙ্গু মৌসুম আবার শুরু হওয়ায় আলোচনার তীব্রতা বৃদ্ধি পায়
বিশেষ আলোচনা আরও বিস্তার লাভ করেছে মেয়রের যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণের প্রস্তাবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেই উড়াল থামিয়ে দিয়ে আলোচনার নতুন মাত্রা যোগ করেন। মশাকেন্দ্রিক জোর এই তরজার মাঝে ডেঙ্গুর মৌসুম আবার শুরু হওয়ায় বক্তব্য ও সমালোচনার ডালপালা যথেষ্ট বিস্তৃত হয়েছে।
“নগরে মশকনিধন কর্মসূচি আছে, সঙ্গে মশাও আছে; কিন্তু মশার কামড় কখনো কমে না।”
নগরবাসীদের ক্ষোভের সুরে খোরশেদ আলম এবং অন্যান্য বাসিন্দারা মশা বাহিত রোগের চাপ বৃদ্ধির পরিস্থিতি সম্পর্কে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। চট্টগ্রামের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়োগকারী ক্ষেত্রে সমালোচনা ও প্রতিক্রিয়া সম্পাদক হোসাইন তৌফিক ইফতিখার এবং সাংবাদিক নাসির উদ্দিন নিয়ে বিস্তার লাভ করেছে।
“মশা মারতে আমেরিকা, ড্রেন পরিষ্কার করতে কি চাঁদে যেতে হবে?”
“অদক্ষ চোরগুলোকে ফ্লোরিডা নয়, বাড়ি পাঠান।”
বিশেষ অবস্থায় চট্টগ্রাম নগরীর ওষুধ ছিটানো কার্যক্রমে নিয়মিত কাজ চলছে এবং বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। তবে আবার প্রত্যন্ত এলাকার ওয়ার্ডসহ বিভিন্ন স্থানে ওষুধ ছিটানো হয় মাঝে মাঝে। এই কাজের কার্যকারিতা নিয়েও সংশয় থাকছে।
নগরীতে মশা নিধন কার্যক্রম বৃদ্ধির জন্য আরও আটজন ইন্সপেক্টর ও সাতজন তদারককারী নিয়োগ করা হয়েছে। চসিকের ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি জানান, বর্তমানে মশকনিধনের জন্য নিয়মিত ফগিং ও লার্ভিসাইড ব্যবহার করা হচ্ছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ২৭ জুলাই থেকে মশকনিধনের ক্র্যাশ প্রোগ্রাম শুরু হয়েছিল। সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নতা বিভাগ সূত্রে জানা যায়, মশকনিধনের কাজে নিয়োজিত আছেন ২০৫ জন শ্রমিক। মশকনিধনের �

