এটা আমাদের পৃথিবী, রক্ষার দায়িত্বও আমাদের
পৃথিবী আমাদের মালিকানা
এট আম দ র প থ ব – ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবসে ঢাকার রমনা উদ্যানে হাঁটতে হাঁটতে আমি এট আম দ র প থ ব সম্পর্কে চিন্তা করছিলাম। দিবসটির সারমর্ম ‘প্রকৃতির অনুপ্রেরণায় জলবায়ুর জন্য আমাদের ভবিষ্যতের জন্য’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবে এটা বোঝা যায় যে প্রকৃতি ও জলবায়ু রক্ষার দায়িত্ব আমাদের বাহুল্য। আমাদের কর্ম করে এট আম দ র প থ ব ভবিষ্যত বাঁচিয়ে রাখতে হবে। প্রতিটি মানুষের জন্য এই দায়িত্ব বৈপ্লবিক করে আমাদের সবাই একত্রে কাজ করতে হবে যাতে পৃথিবী আমাদের কাছে পুনর্জন্ম করতে পারে।
স্বাচ্ছন্দ ও সংকটের বৈষম্য
এট আম দ র প থ ব আমাদের সবাই বাস করছি, কিন্তু মানুষের বিভিন্ন পরিস্থিতি ও চিন্তাভাবনার কারণে পৃথিবী আমাদের কাছে কখনো এক স্বাচ্ছন্দ বিশ্ব হয়ে ওঠে কখনো সংকট হয়ে ওঠে। রাজনীতি, অর্থনীতি এবং ভৌগোলিক অবস্থার কারণে আমাদের বিভেদ বৃদ্ধি পেয়ে চলেছে। প্রকৃতির ধরন আমাদের কাছে অনেক সময় অবহেলার বিষয় হয়ে ওঠে। এট আম দ র প থ ব আমাদের অস্ত্র বা রাজনৈতিক দাবি হিসেবে দেখা হয় যেখানে সামাজিক ও আর্থিক দুর্বলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
পৃথিবীর সব সংকটের মূলে রয়েছে মানুষের অতিরিক্ত ভোগস্পৃহা।
জাপানি দার্শনিক ও লেখক কৃষিবিদ মাসানোবু ফুকুওকা ঠিকই বুঝেছিলেন যে প্রকৃতির বিশৃংস্তি সবার প্রতি সমান নয়। তাঁর বই ওয়ান স্ট্র রেভল্যুশন গ্রন্থে লেখা হয়েছে, ‘পৃথিবীর সব সংকটের মূলে রয়েছে মানুষের অতিরিক্ত ভোগস্পৃহা।’ আমাদের চিন্তা করতে হবে যে প্রাকৃতিক সহজ জীবনের জন্য আমাদের কলকারখানার প্রয়োজন ছিল না। কিন্তু আজকার জনতা বিসর্জন দিয়ে প্রাকৃতিক বিভেদ ছাড়া জীবনযাপনে প্রায় আবশ্যক বোধ করে। ফলে প্রতিদিন বিপুল বায়ু দূষণ বাড়ছে এবং পৃথিবী বিভিন্ন ধরনের আঘাত পাচ্ছে।
বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন দুই দশকে কতটা বদলে গেছে, সেটি আমাদের চিন্তা করতে হবে। এট আম দ র প থ ব মানুষের কাছে প্রকৃতির সংকট আছে, তার প্রতিটি প্রতিক্রিয়া যেন একটি
