বিশ্বকে আবার ভূতের ভয়, বামপন্থার ভূত
ব শ বক আব র ভ ত – যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আন্তর্জাতিক হুমকি মোকাবিলার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে একত্রে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন। তাঁর মতে, উগ্রবাদের প্রভাব সীমান্ত পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই এটি মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান এবং সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।
ট্রাম্প প্রশাসনের বৈঠক
১৬ জুলাই ওয়াশিংটন ডিসিতে ট্রাম্প প্রশাসনের আয়োজনে অংশগ্রহণকারী কর্মকর্তারা প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছেন, অ্যান্টিফা আন্দোলনকে সাবেকি ইউরোপের সব শক্তি এক পবিত্র জোটের মধ্যে যুক্ত করে কমিউনিজমের ভূত ঝেড়ে ফেলার জন্য আমেরিকান পররাষ্ট্র দপ্তর কাজ করেছিল। এই ধারণা থেকে জুলাই মাসের বৈঠকে তথ্য প্রকাশ করা হয়েছিল যে অতি বামপন্থী উগ্রবাদ আন্তর্জাতিক প্রসার পেয়েছে।
ডেমোক্রেট আইনপ্রণেতারা প্রতিবেদনে বলেছেন, পররাষ্ট্র দপ্তরের উচিত রাজনৈতিক বিবেচনার পরিবর্তে তথ্য ও বাস্তবতার ভিত্তিতে কাজ করা। চিঠিতে বলা হয়েছে, শুধু বামপন্থী গোষ্ঠীগুলোর ওপর জোর দেওয়া হলে বাস্তব রাজনৈতিক আন্দোলনও অযথা নজরদারির শিকার হতে পারে।
২০২৪ সালে বিচার বিভাগের একটি অভ্যন্তরীণ গবেষণায় ঘোষণা করা হয়েছিল যে মতাদর্শগত কারণে বেশির ভাগ প্রাণহানির ঘটনার জন্য অতি ডানপন্থী উগ্রবাদীদের দায়িত্ব আছে। কিন্তু পরে বিচার বিভাগ ওই গবেষণাটি নিজেদের ওয়েবসাইট থেকে সরিয়ে ফেলে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে ওই বৈঠকে ইউরোপের অধিকাংশ দেশের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশ, ভারত, ইন্দোনেশিয়া ও সিঙ্গাপুরের কর্মকর্তারাও অংশ নেন। ট্রাম্প প্রশাসন অ্যান্টিফা আন্দোলনকে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রশাসনের দাবি, অ্যান্টিফ
