Bangladesh

অতিবৃষ্টিতে নষ্ট খেত, দাম বেড়েছে কাঁচা মরিচের

Foto : Matthew Wilson - banglajibon.com

মানিকগঞ্জে বৃষ্টিতে মরিচ খেত আংশিক নষ্ট, দাম উঠে পড়েছে

Banglajibon.com – অত ব ষ ট ত নষ ট – টানা বৃষ্টির কারণে মানিকগঞ্জ জেলার বিস্তৃত এলাকার মরিচ খেত পানিতে ডুবে গেছে। কৃষকদের পাঠানো হয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত খেত থেকে প্রাপ্ত ফলন কমে যাওয়ায় কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিছু খেতে গোড়া পচে গাছগুলি মরে গেছে, আবার কিছু ক্ষেত্রে ফলনযোগ্য গাছগুলি নষ্ট হয়ে গেছে।

জেলার বাজারগুলিতে কাঁচা মরিচের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। সপ্তাহ আগে কেজি কাঁচা মরিচ প্রায় ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হত, কিন্তু এখন সেটি ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে সরবরাহ কমে গেলে খুচরা বাজারে দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

সাধারণ ক্রেতারা দামের চাপে পড়েছেন

কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে মানিকগঞ্জ জেলায় ৩,৮২৫ হেক্টর জমিতে কাঁচা মরিচ আবাদ করা হয়েছে। স্বাভাবিক আবহাওয়ার আশা ছিল প্রায় ৪২,৮০২ টন মরিচ উৎপাদনের। কিন্তু বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন উপজেলায় নিচু এলাকার খেতগুলি পানি দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কৃষকরা অভিযোগ

“দুই দিন আগে কাঁচা মরিচ কেজি দরে ১০০ টাকা ছিল, এখন ২০০ টাকা হয়েছে।”

বানিয়াজুরী এলাকার শিক্ষক মো. রুহুল আমীন বলেন, প্রায় সব পণ্যের দাম বেড়েছে, কিন্তু মরিচের দাম একেবারে অসাধারণ। তিনি জানান, মরিচ চাষ করেছিলেন এবং টানা বৃষ্টির কারণে সব গাছ নষ্ট হয়ে গেছে।

“ঋণ করে এক বিঘা জমিতে ৭০ হাজার টাকা খরচ করেছি। গাছে প্রচুর মরিচ ধরেছিল, কিন্তু পানি জমে সব নষ্ট হয়ে গেছে। এখন ঋণের টাকা কীভাবে শোধ করব, সেটাই বড় চিন্তা।”

ঋণ নিয়ে কাজ করেছিলেন শিবালয় উপজেলার কৃষক আলাউদ্দিন। তিনি বলেন, ফলন ছিল ভালো, কিন্তু বৃষ্টির কারণে পুরো খেত নষ্ট হয়েছে।

অন্যান্য ফসলের ক্ষতি হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে

বালিয়াখোড়া গ্রামে কৃষক আব্দুল মজিদ জানান, তিনি প্রায় দেড় বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছিলেন। জমি প্রস্তুত, সার, কীটনাশক এবং শ্রমিকের পেছনে লক্ষাধিক টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন। কিন্তু বৃষ্টির কারণে খেত পানি জমে গাছের গোড়া পচে গেছে।

মানিকগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শাজাহান সিরাজ বলেন, টানা বৃষ্টির কারণে বিভিন্ন এলাকায় মরিচ ও অন্যান্য ফসলের ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং সহায়তার জন্য তালিকা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার দিকে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তাদের ফোন না ধরার অভিযোগ গুরুত্ব পেয়েছে।

বাজারে সরবরাহ কমে দাম উঠেছে

মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড কাঁচাবাজারের সবজি বিক্রেতা মো.

Leave a Comment