Op Ed

কৃষক কেন এখনো মহাজননির্ভর

কৃষক কেন এখনো মহাজননির্ভর

ফসল ওঠার মৌসুম কৃষকের অভিজ্ঞতা

ক ষক ক ন এখন মহ জনন – দেশের ব্যাপক মানুষ মনে করেন যে ফসল ওঠার মৌসুম কৃষকের উৎসাহের সময়। কিন্তু এই আনন্দের মৌসুমের পেছনে একটি কঠিন বাস্তবতা দৃশ্যমান হয়। এখন কৃষকদের ক্ষেত্রে ফসল ওঠার সময় মানে নির্মম আর্থিক চাপের শুরু। অধিকাংশ কৃষক খেতের ধান সরাসরি মহাজন বা আড়তদারের হাতে দিতে বাধ্য হন। কিছু ক্ষেত্রে তারা মাড়াইয়ের জন্য ধান অপেক্ষা করে থাকেন, কিন্তু তার পরও বিনিময় প্রথার সীমাতে পুরো ফসল বিক্রি করতে হয়।

খাদ্য ঘাটতি ও ঋণ গ্রহণের প্রভাব

খাদ্য অভাবে পড়া কৃষকদের ঋণ দিতে গিয়ে মহাজন, আড়তদার এবং গ্রামীণ ব্যাংকগুলি ব্যাপক করে সাহায্য করেন। কিন্তু সেই ঋণের সুদ বেশি হয়ে থাকে, ফসল উঠার পর ধানের বড় অংশ সুদ পরিশোধের জন্য বাদ পড়ে। আড়তদাররাও তাদের অপেক্ষাকৃত সস্তা মূল্যে ধান বিক্রি করার আদেশ দিয়ে কৃষকদের চারদিক থেকে নিয়ন্ত্রণ করে। যাইহোক এই চক্রে কৃষকদের নিরাপত্তা বা স্বাধীনতা পাওয়া যায় না।

দলীয় কর্মসূচির প্রভাব

সরকার এসে গেছে আবার চলে গেছে। বছরের পর বছর ধরে কৃষি উন্নয়নের নামে ব্যয়িত অর্থ কৃষকের কল্যাণে নয়, যৌক্তিক ব্যবস্থার স্বাক্ষর করে দলীয় ও গোষ্ঠীগত নেতাদের হাতে যাওয়ায় এটি দলীয় গোষ্ঠীর সম্পদ বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ব্যয়িত হয়। সম্পদস্বল্প রাষ্ট্রে কৃষকদের স্বার্থে কোনো কাজ হয় না যখন দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মচারীদের হাতে এই তহবিল নিয়ন্ত্রিত হয়।

অসহায় কৃষক প্রায় চারপাশে শুধুমাত্র এই চাপের মধ্যে সম্পূর্ণ নিরন্তর দিনাতিপাত করতে হয়। কৃষক দলের স্বার্থ বজায় রাখার জন্য ব্যাপক কর্মসূচি নেওয়া হলেও তা কেবল কিছু অবস্থাতেই কার্যকর হয়। ক্ষুদ্র কৃষকদের অবস্থা সম্পূর্ণ ভূমিহীন কৃষকের চেয়েও ভূমিহীন হওয়ার আগে যে কৃষকের অবস্থা অনেক করুণ ছিল।

সমাধানের প্রস্তাব

দুটি প্রস্তাব তুলে ধরা হলো যেন ক্ষুদ্র কৃষকদের অবস্থা পরিবর্তিত হয়। প্রথমত, গত পাঁচ ব

Leave a Comment