এনসিপির ছায়া বাজেট প্রকাশ: ৭১টি নীতিগত প্রস্তাব উপস্থাপন
এনস প র ছ য় ব জ – জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এর ছায়া বাজেট কমিটি এই বছরের জন্য তাদের ছায়া বাজেট ঘোষণা করেছে। ছায়া বাজেট কমিটি কর্তৃক প্রস্তাবিত বাজেটে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সামনে উপস্থাপন করা হয়েছে শীর্ষক হিসেবে বাংলাদেশ ২.০: সংস্কার, কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের মাধ্যমে টেকসই প্রবৃদ্ধি ধারণ করে। মোট ৭১টি নীতির প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়েছে যা সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবায়নযোগ্য।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারে এনসিপির যুব সংগঠন জাতীয় যুবশক্তির আনুষ্ঠানিক অনুষ্ঠানে প্রস্তাবগুলো গণমাধ্যমের সামনে পেশ করে। ছায়া বাজেটে সামাজিক খাতে ব্যয় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বৃদ্ধি করা হয়েছে কিন্তু সামষ্টিক অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষার প্রস্তাব রয়েছে। সরকারি ঋণ ব্যাংকিং খাতে প্রস্তাবিত হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকায় হ্রাস করা।
সাধারণ করমুক্ত সীমা সাড়ে চার লাখ টাকায় উন্নীত হবে। নারী ও প্রবীণ নাগরিকদের উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয় স্বীকৃতি প্রদানের পর তাদের করমুক্ত সীমা ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় ও প্রতিবন্ধীদের জন্য পাঁচ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। জাকাতকে আয়কর ছাড় হিসেবে অন্তর্ভুক্তি, প্রগতিশীল উত্তরাধিকার কর চালু ও আটটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাঁচ বছর ভ্যাটমুক্ত করার আইনি গ্যারান্টি প্রস্তাব করা হয়েছে।
‘আমরা নজরদারিতে রাখব, আগামী বাজেটের যে অর্থ বরাদ্দ হবে প্রতিটি পয়সা যেন জনগণের কাজেই ব্যবহৃত হয়। পরিসংখ্যাননির্ভর নামসর্বস্ব কোনো বাজেট আর আমরা দেখতে চাই না,’ বলেন দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।
নেতা আরও বলেন, ১ কোটি ৪০ লাখ মানুষকে স্মার্ট ফ্যামিলি কার্ডধারী বলা হচ্ছে। এই কার্ডের জন্য প্রতিবছর ১ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। প্রস্তাবিত বাজেটে সে অর্থ অন্যান্য সোশ্যাল সেফটি নেটস থেকে কাটা হবে কি না তা আমাদের সামনে আসছে।
অনুষ্ঠানে ছায়া বাজেট কমিটির প্রধান ও সংসদ সদস্য আতিক মুজাহিদ এবং উপপ্রধান আবদুল্লাহ আল ফয়সাল এনসিপির ৭১ দফা বাজেট ভাবনা তুলে ধরেন। উপস্থিত ছিলেন জয়নাল আবেদীন শিশির ও আলাউদ্দিন মোহাম্মদ প্রমুখ যুগ্ম সদস্যসচিব।
