Politics

দলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধনে সুযোগ বন্ধ করতে হবে: ইসলামী আন্দোলন

দলীয় স্বার্থে সংবিধান সংশোধনে সুযোগ বন্ধ করতে হবে: ইসলামী আন্দোলন

দল য় স ব র থ স – বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান একটি বিবৃতিতে ঘোষণা করেন যে সরকারের পরিচালনা এবং গণভোটের ব্যবস্থা পুনর্গঠনের সিদ্ধান্ত সকল দিক থেকে প্রাসঙ্গিক। তিনি বলেন, দলীয় স্বার্থ মূলক ভাবনায় সংবিধান সংশোধনের সুযোগ বন্ধ করা প্রয়োজন, কারণ এটি রাজনৈতিক স্বাধীনতার প্রতি বিপর্যয় সৃষ্টি করতে পারে। সংবিধান বাংলাদেশের রাজনৈতিক গৌরব নির্ধারণ করে এবং দেশের সামাজিক-অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছে। তবে এখনও সংবিধান সংশোধনের বিষয়টি কেবল দলীয় স্বার্থের কারণে বিবেচিত হচ্ছে, যা সরকারের কাছে বিশ্বাসের ক্ষতি করতে পারে।

দলীয় স্বার্থ এবং সংবিধানের ভূমিকা

“তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এবং গণভোটের বিধান পুনর্বহাল করার সিদ্ধান্ত স্বাক্ষাপট দিয়ে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। কিন্তু দলীয় স্বার্থ প্রধানে সংবিধান সংশোধনের সুযোগ আজও অব্যাহত রয়েছে। এই সুযোগ বন্ধ করতে হবে জুলাই সনদের মাধ্যমে সাধারণত চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন,” তিনি বলেন।

মাওলানা গাজী আতাউর রহমান জানান যে দেশে সংবিধান পরিবর্তন করার চাহিদা ক্রমান্বয়নে চলছে। তিনি উল্লেখ করেন যে সংবিধানের প্রামাণ্য ধারণাগুলো দেশের স্বাধীনতা এবং নাগরিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করে। তবে সংবিধান সংশোধনের সুযোগ বন্ধ করতে হবে যাতে রাজনৈতিক ক্ষমতা এক ব্যক্তি বা দল বরাবর দখলে না থাকে। এই বিষয়টি বর্তমান সরকারের কাছে কেন্দ্রীয় চিন্তা হচ্ছে সেই কারণে যে দলীয় স্বার্থ সংবিধান ব্যবস্থার মূল কারণে দখল করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সরকারের ক্ষমতা একাধিক পর্যায়ে বিস্তার লাভ করেছে। তারা বলেন যে দলীয় স্বার্থ মূলক সংশোধনের সুযোগ বন্ধ করা যাবে সংবিধান কেবল রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করা হচ্ছে এমন পরিস্থিতিতে প্রয়োজন। সংবিধান বাংলাদেশের আইনী সীমা নির্ধারণ করে এবং প্রতিটি রাজনৈতিক বিষয় সঠিকভাবে বিচার করতে পারে। কিন্তু তবে এখন দলীয় স্বার্থ এবং দখল সংবিধানের প্রকৃত প্রামাণ্যতা ক্ষুণ্ণ করে রয়েছে।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা এবং সংবিধানের সংযোগ

মহাসচিব আতাউর রহমান সংবিধানের প্রামাণ্য প্রণালীগুলো দেশের সংস্থান নির্ধারণে প্রয়োজন। তিনি উল্লেখ করেন যে গৃহযুদ্ধ এবং অন্যান্য ঘটনার মাধ্যমে স্থাপিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পূর্বের সাংবিধানিক কাঠামোর সুবিধার সম্পূর্ণ ব্যবহার করেছিল। ফ্যাসিস্ট আঘাত বাতিল করার সুযোগ সেই ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রাপ্ত হয়েছিল। কিন্তু এখন তিনি দলীয় স্বার্থ মূলক ভাবনার কারণে সংবিধান পরিবর্তনের সুযোগ বন্ধ করা প্রয়োজন বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, এটি দেশের প্রতিটি বৈচিত্র্য এবং রাজনৈতিক স্বাধীনতা ধ্বংসের প্রবণতা তৈরি করে।

সংবিধান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার বাইরে চলছে না। এটি সরকারের কার্যকারিতা এবং গণতন্ত্র স্থাপন প্রক্রিয়ায়

Leave a Comment