মরক্কোতে মুসলিম শাসন শুরু হয় যেভাবে
মরক ক ত ম সল ম শ – মরক্কো উত্তর আফ্রিকার সাগরপার অঞ্চলে অবস্থিত। এই ভূখণ্ড আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূমধ্যসাগরের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় ইসলামি ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যের এক অনন্য সূত্র ধারণ করে। এই অঞ্চলকে আরবি ভাষায় ‘আল-মাগরিব’ বলা হয়, যার অর্থ পশ্চিমের রাজ্য বা দূরতম পশ্চিম হতে পারে। খ্রিষ্টপূর্ব আট হাজার বছর আগে থেকে শুরু করে ফোনেশীয়, ইহুদি, রোমান, ভেন্ডাল ও বাইজেন্টাইন সভ্যতার পদচারণে এই ভূমিতে ইসলামের আগমন এবং মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠার ইতিহাস অত্যন্ত গৌরবময় ও বৈচিত্র্যপূর্ণ।
ইসলামি শাসন এবং শাসকদের বিস্তার
রোমান শাসনের অবসান ঘটার পর পূর্ব জার্মান বংশোদ্ভূত ভেন্ডালরা এবং পরবর্তী সময়ে গ্রিক বাইজেন্টাইনরা পর্যায়ক্রমে এই অঞ্চলে আধিপত্য অর্জন করে। খোলাফায়ে রাশেদার শাসন শেষ হওয়ার পর উমাইয়া খিলাফতের হাল ধরেন সাহাবি মুয়াবিয়া (রা.)। তিনি সমগ্র মুসলিম রাষ্ট্রকে দশটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে বিভক্ত করে প্রতিটি অংশে বিশেষ শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন।
মরক্কো বিজয়ের পর তাঁর দ্বারা নির্ধারিত গভর্নর কর্তৃক শাসিত হতে থাকে। বারবার জনগোষ্ঠী নিয়ে তিনি সাহাবি আমর ইবনে আস (রা.)-এর কাছে দূত পাঠায়, যার কারণে রোমান শাসকদের অত্যাচার থেকে তাদের মুক্তি পাওয়া যায়।
বারবারদের স্বতঃস্ফূর্ত ইসলাম গ্রহণ
খলিফা মুয়াবিয়া (রা.) রোমান শাসনের বর্বরতার বিবরণ শুনে প্রবাহিত হন। তিনি কালক্ষেপণ না করে সেনাপতি হজরত উকবা ইবনে নাফে (রা.)-এর নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী বাহিনী প্রেরণ করেন। তিনি এক সম্পূর্ণ আকাশ সৃষ্টি করে মুসলিম শাসনের সূচনা ঘটায়।
বারবার উপজাতি মুসলিম প্রশাসনের ন্যায়বিচার, সাম্য ও মানবিকতার কারণে আকর্ষিত হয়। তারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে ইসলাম গ্রহণ করে এবং সমগ্র মুসলিম বিশ্বের শক্তিকে এক নতুন প্রাণ দেয়।
আল-কারাউইন বিশ্ববিদ্যালয় ও মরক্কোর জ্ঞানচর্চা
মরক্কোর ইসলামি ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায় হলো জ্ঞানচর্চা। আল-কারাউইন বিশ
