Islam

জিলহজ মাসের গুরুত্ব, ফজিলত ও করণীয়

জিলহজ মাসের গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে প্রধান করণীয় আমলগুলো

জ লহজ ম স র গ র – জিলহজ মাসের গুরুত্ব একটি সুপ্রিম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আল্লাহ তাআলা এ মাসটি সৃষ্টি হওয়া থেকেই নির্ধারিত করেছেন যে এটি চারটি সম্মানিত মাসের একটি। পৃথিবী ও আকাশ সৃষ্টির সময় এ মাসটি আল্লাহর কিতাবে সর্বাধিক প্রিয় মাস হিসেবে পরিচিত। সুরা তওবা হতে উল্লেখ করা হয়েছে যে এ মাসে কোরবানি, হজ এবং অন্যান্য মুক্তিকামনা আমল পালন করা যায়।

জিলহজ মাসের প্রধান ফজিলত ও করণীয় কাজ

জিলহজ মাসের বিশেষ স্থান নিয়ে হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে যে এটি হজ কার্যক্রমের নির্ধারিত মাস। হাদিসে বলা হয়েছে, ‘হজ হলো নির্ধারিত কয়েকটি মাস।’ এই মাসে পবিত্র ইবাদতগুলো বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করা হয়। যেমন, ইয়াওমে আরাফার দিন বা শাওয়াল মাসের প্রথম দশ দিন। এ সময়ে হজরত জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রা.) এর হাদিস অনুযায়ী ইবাদত করা ও জিকির বিশেষ ফজিলতপূর্ণ।

‘আল্লাহর নিকট সর্বাধিক প্রিয় হলো জিলহজ মাসের প্রথম দশকের আমল।’ (সুনানে আবু দাউদ: ২৪৩৮)

এ কথা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হয়। এ মাসে রাত ও দিনে নেক আমল করা যায়, যেমন তাকবির ও নফল রোজা। একটি আলোচনা করা হয়েছে যে জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন হল কোরআনে শপথ করা দিন।

পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘শপথ ফজরের ও ১০ রাতের।’ এই শপথ আল্লাহ তাআলার নির্ধারণ মত জিলহজ মাসের রাত ও দিনের জন্য। ইবনে কাসিরের তাফসিরে এটি ব্যাখ্যা করা হয়েছে যে এ মাসে হজ কার্যক্রমে সম্পন্ন হয় এবং নেক আমলের জন্য উপযুক্ত।

‘আল্লাহু আকবার, আল্লাহু আকবার, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লিল্লাহিল হামদু’ পাঠ করা এ মাসে বিশেষ ফজিলত প্রদান করা হয়। এ আমলের মধ্যে জিলহজ মাসের প্রথম দশ দিন বেশি বেশি প্রয়োগ করা উচিত।

এটি মুসলমানদের জন্য সাধারণ প্রস্তুতির একটি স্থান। এ মাসে প্রাচীনকাল থেকে সব নবীর শরিয়ত অনুযায়ী আমল করা যায়।

গুনাহের পরিণাম ও বিশেষ আমলগুলো

জিলহজ মাসের ফজিলত বিশেষ কারণে এ মাসে গুনাহ করা একটি প্রতিশোধ হিসেবে বিবেচিত হয়। হাদিসে এ বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে যে জিলহজ মাসের ৯ তারিখ বা ইয়াওমে আরাফার রোজা দ্বারা আগের ও পরের এক বছরের গুনাহ মাফ করা হয়। এটি আল্লাহ তাআলার দয়া এবং নেক আমলের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেখায়।

Leave a Comment