টিকটক বিলিয়নিয়ার ঝ্যাং ইমিং এশিয়ার শীর্ষ ধনী ব্যক্তির অবস্থান দখল করেছেন
এশ য় র শ র ষ ধন – এশিয়ার শীর্ষ ধনী ব্যক্তির তালিকায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটেছে, যেখানে চীনের বাইটড্যান্স প্রতিষ্ঠানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ঝ্যাং ইমিং ভারতের জনপ্রিয় শিল্পপতি মুকেশ আম্বানিকে ছাড়িয়ে গেছেন। এই স্থান অধিকারে গৌতম আদানির কাছে অবস্থান করে রেখেছেন ঝ্যাং ইমিং, যিনি এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকায় তৃতীয় স্থানে নামিয়ে দিয়েছেন। এই পরিবর্তন ঘটেছে বিনিয়োগ ও সংস্থার সফলতার ভারসাম্যের ফলে।
বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী ঝ্যাং ইমিংয়ের সম্পদ বৃদ্ধির কারণ
ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার্স ইনডেক্স অনুযায়ী ঝ্যাং ইমিংয়ের সম্পদ বর্তমানে ৯২.৮ বিলিয়ন ডলার। এই পরিমাণের পেছনে টিকটকের বৈশ্বিক সাফল্য এবং বাইটড্যান্সের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে সফলতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকার মধ্যে এই সংখ্যা স্থান অনুযায়ী প্রথম স্থানে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে মুকেশ আম্বানির সম্পদ বর্তমানে ৮৬.৯ বিলিয়ন ডলার। এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকায় তাঁর স্থান এক ধাক্কায় তৃতীয় স্থানে পৌঁছেছে। ঝ্যাং ইমিংয়ের সম্পদ বৃদ্ধির পেছনে বাইটড্যান্সের এআই চ্যাটবট ‘ডৌবাও’ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই চ্যাটবট টিকটকের ব্যবহারকারী সংখ্যা বৃদ্ধি করেছে।
টিকটকের বৃহৎ ব্যবহারকারী প্রতিশ্রুতি ও বাইটড্যান্সের ভবিষ্যতের প্রতিক্রিয়া
বর্তমানে চীনে টিকটকের মাসিক ব্যবহারকারী সংখ্যা ৩০ কোটির বেশি হয়েছে। এটি দেশটির সবচেয়ে জনপ্রিয় এআই চ্যাটবটে পরিণত হয়েছে। এশিয়ার শীর্ষ ধনী ব্যক্তির তালিকার সাথে সম্পর্কিত বিষয়টি বাইটড্যান্সের আরও বৃহৎ বাজার বিস্তার প্রতিফলিত হয়।
গত কয়েক বছরে ঝ্যাং ইমিংয়ের সম্পদ সাত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি এশিয়ার শীর্ষ ধনী ব্যক্তির তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন, যেখানে তাঁর সম্পদ বৃদ্ধি হয়েছে ১৩ বিলিয়ন ডলার থেকে ২৪ বিলিয়ন ডলারের বেশি। এই গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন তাঁর ব্যবসার সম্প্রসারণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা বৃদ্ধি নিশানা করেছে।
বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং সংস্থার অনিশ্চয়তা দূর হওয়ায় বাইটড্যান্সের ভবিষ্যতের বৃদ্ধির সম্ভাবনা আরও শক্তিশালী হয়েছে। এর ফলে কোম্পানির মূল্যায়নে ঝুঁকির হার কমেছে। এশিয়ার শীর্ষ ধনী ব্যক্তির তালিকার মধ্যে এই কোম্পানির প্রভাব আরও গুরুতর হয়েছে।
আম্বানির স্থান সরে এসেছে যেহেতু বাইটড্যান্স তাদের মার্কিন ব্যবসার একটি অংশ মার্কিন বিনিয়োগকারীদের হস্তান্তর করে। এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তালিকার বর্তমান স্থানে এই সিদ্ধা�
