ভোলায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড
ভ ল য় স ত র হত – ভোলায় স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী মো. মোক্তার হোসেনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এ ঘটনার আদালত রায় ঘোষণা করেছেন ভোলার জেলা ও দায়রা জজ শরীফ এ এম রেজা জাকের। বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের ফুল কাচিয়া গ্রামে অবস্থিত মো. মোক্তার হোসেন বুধবার দুপুরে মৃত্যুদণ্ডের ফুল পেয়েছেন। এ কেসে তিনি স্ত্রী আফজুন বেগমের বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধের দায় বরবার হয়েছে। দুই পক্ষের আইনজীবী দ্বারা আরও কয়েকটি তথ্য দেয়া হয়েছে। অ্যাডভোকেট ফরিদুর রহমান তাঁর দলের সভাপতি হিসাবে স্বামীর আপিলের বিষয়ে আবেদন জানান।
আইনজীবী বিবরণ ও মামলার প্রাথমিক তথ্য
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পিপি তৈয়বুর রহমান জানান যে, বাদীদের মধ্যে সন্তুষ্টি নিশ্চিত হয়েছে। তিনি বলেন, আমরা ন্যায়বিচার পেয়েছি। ভোলায় স্ত্রী হত্যার ঘটনা সুস্পষ্ট ভাবে প্রমাণিত হয়েছিল। স্বামী এবং স্ত্রীর সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আপনার বিষয়টি প্রমাণ করতে সাক্ষ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। বিচারক ন্যায়বিচারের মাধ্যমে স্বামীকে বোঝানো হয়েছিল যে ভোলায় স্ত্রী হত্যার ঘটনা কেবল একটি স্বামীর নির্দোষতা বরবার করতে পারে না। এ মামলার স্বামীর বিরুদ্ধে প্রমাণ দেখানো হয়েছিল যে তিনি হত্যা করার জন্য সব প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন।
বিচারক রায়ে একটি স্থানীয় চৌকিদার দ্বারা স্বামী এবং স্ত্রীর ঝগড়া কেবল আসামির আপনার বিরুদ্ধে মামলা চালানো হয়েছিল। ভোলায় স্ত্রী হত্যার ঘটনার সত্যিকার প্রমাণ পেশ করা হয়েছিল যে আসামি তার স্ত্রীকে অত্যন্ত কুপ্রস্তাব দিয়ে তাঁকে হত্যা করেছিলেন। মামলার ক্রম সম্পর্কে আরও বিস্তারিত তথ্য সম্প্রতি সামনে আসছে। এ ঘটনার পর থেকে স্বামীর সাথে স্ত্রী এবং স্বামীর বিরুদ্ধে বিস্তারিত তথ্য আসছে।
ভোলায় স্ত্রী হত্যার ঘটনার বিস্তারিত প্রতিবেদন
মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, মোক্তার হোসেন ভোলায় স্ত্রী হত্যার ঘটনার পর সবাই ঘুমিয়ে পড়েছিল। এ ঘটনার পর তাঁর স্ত্রীকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেছিলেন। ডাক্তার বাড়ির মো. মহিজলের ছেলে এবং স্বামী ভোলায় স্ত্রী হত্যার মামলার অংশ ছিলেন। তিনি গলা টিপে স্ত্রীকে হত্যা করেছিলেন এবং এ ঘটনার পর থেকে তাঁকে মৃত্যুদণ্ডের দাবি জানানো হয়েছিল।
ভোলায় স্ত্রী হত্যার ঘটনার পর সাক্ষ্যদাতারা আপনার বিরুদ্ধে দাবি করেছিলেন যে স্বামী তার স্ত্রীকে মৃত্যুদণ্ডের জন্য ভোলায় স্ত্রী হত্যার ঘটনার সূত্রে এ অপরাধ সম্পন্ন হয়েছিল। তিনি স্ত্র
