হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ১২৫ দিন: নর্ডিক পোলাক্স দেশে পরিশোধিত তেল আমদানি বাড়ছে
হরম জ প রণ ল ত ১২৫ – হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরপরই বাংলাদেশের জ্বালানি তেল সরবরাহে গুরুতর পরিবর্তন ঘটে। বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) একটি জাহাজ নর্ডিক পোলাক্স দেশে তেল পরিবহন করছে যেটি আটকে পড়েছিল বিকল্প রুটে আসা। এটি বর্তমানে সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দর থেকে সাময়িক সংকটের মধ্যে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছতে চলছে।
বিকল্প পথে তেল আনার প্রক্রিয়া
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, নর্ডিক পোলাক্স জাহাজটি আটকে থাকার পর চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে আগামী ৬ জুলাই পৌঁছবে। বিএসসি এবং বিপিসি এ কাজে সম্পর্কিত চুক্তি অনুযায়ী তেল আমদানি করছে। কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, “হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ায় বিকল্প রুট দিয়ে তেল আমদানি শুরু হয়।”
সাধারণত রাস তানুরা এবং জেবেল আলী বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল আসে। কিন্তু চুক্তি বিধিনিষেধ আংশিক শিথিল হওয়ায় এটি ইয়ানবু এবং ফুজাইরা বন্দরে থেকে নিয়ে আসা হচ্ছে। এটি হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর প্রথম পুনরুজ্জীবন করেছে।
তেল আমদানি সংকটের প্রভাব
বাংলাদেশ প্রতিবছর সৌদি আরব এবং আবুধাবি থেকে প্রায় ১৫ লাখ টন তেল আমদানি করে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে দেশে তেলের সরবরাহ প্রায় ২০ শতাংশ কমে যায়। এর প্রভাব সামাল দিতে সরকার উচ্চ দামে পরিশোধিত তেল আমদানি শুরু করে।
নর্ডিক পোলাক্স জাহাজটি অপরিশোধিত তেল নিয়ে হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর চট্টগ্রামে পৌঁছতে সক্ষম হয়েছে। এটি পরিশোধিত তেলের সাথে একটি উদাহরণ হিসেবে নিরাপদে বহন করছে। তেলের চুক্তি অনুযায়ী ডেমারেজ খরচ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বহন করবে।
এই পরিস্থিতি কারণে দেশের জ্বালানি সরবরাহ সমন্বয়ে পরিশোধিত তেলের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্তৃপক্ষ হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়ার পর স্থানীয় সরবরাহের জন্য বিকল্প পথ খুঁজছে। তেল বোঝাই করার পর হরমুজ প্রণালি বন্ধ হয়ে গেলে জাহাজটি পরিশোধিত তেল নিয়ে অন্য পথে
