Politics

পুরোনো অস্ত্রেই আক্রমণে সরকারি ও বিরোধী দল

ঘটনার পরে রাজনীতিতে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল

প র ন অস ত র ই – জুলাই আন্দোলনের পর রাজনীতিতে নতুন প্রবাহ সৃষ্টির আশায় কিছু উম্মুক্ত আকাঙ্ক্ষা জন্মগ্রহণ করেছিল। কিন্তু দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল পুরোনো তরণী থেকে মুক্তি পেতে পারছে না। চলতি অধিবেশন সংসদে নেতাদের মুখে সামনে এসেছে পরস্পরের পুরোনো কর্মকাণ্ড সম্পর্কে আলোচনা।

সরকারি দল বিএনপি এবং বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী এখনও প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরস্পরের স্বাক্ষর কাজে লেগেছে। গত মঙ্গলবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর স্বাধীন বাংলাদেশে অন্তত ১৪-১৫ জন মন্ত্রী, এমপি, রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের সময়ে অখণ্ডতার পক্ষে অবদান রেখেছিলেন, যাঁদের সম্মানে বাংলাদেশ তৈরি হয়নি।

‘যে ভাষায় বাইরে এবং পার্লামেন্টে আপনারা কথা বলেন, প্রশ্ন করেন, আমাদেরও প্রশ্ন আছে। সেই জবাবটা তো বিএনপিকে দিতে হবে।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর চলতি অধিবেশনে বলেন, জামায়াতের নেতাদের কোনো ক্ষমা প্রার্থনা করা হয়নি। তিনি জাতির সামনে ক্ষমা চাওয়া উচিত ছিল বলে মনে করেন। বাজেট আলোচনার সময় দুই দল পরস্পরের অতীত নিয়ে মুখে মুখে কথা বলছে। তার মাঝে অনেক নেতা মনে করেন, জামায়াত ক্ষমা চাওয়ার সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ।

যাইহোক, বিশ্লেষকদের মতে এই পরিস্থিতিকে রাজনৈতিক চর্চার ধারাবাহিকতা হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তবে তাঁরা মনে করছেন, দুই দল জনসমক্ষে একে অপরকে আক্রমণ করলেও একটি কৌশলগত মনস্তাত্ত্বিক ঐক্য বা সহাবস্থান রয়েছে। এটি শেষ পর্যন্ত সুস্থ রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আল মাসুদ হাসানুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, জাতীয় রাজনৈতির বৃহত্তর স্বার্থে এবং দীর্ঘমেয়াদি অস্বস্তি দূর করার জন্য একাত্তরের ভূমিকা নিয়ে একটি স্পষ্ট প্রতি-উত্তর থাকা উচিত। সংসদে প্রধানমন্ত্রীর বক্তৃতার উদ্ধৃতি দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সংসদে বলেছেন, আমাদের সময়ের বিশাল অংশ অতীত নিয়ে আলোচনা করেছি। এটা আমরা চাই না। সামনে এগোতে চাই।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য খন্দকার মোশ

Leave a Comment