Bangladesh

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলার রায়: কাঠগড়ায় নীরব ছিলেন সোহেল-স্বপ্না

পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার রায় ঘোষণা হয়েছে

আসামি সোহেল ও স্বপ্না কাঠগড়ায় নীরব ছিলেন

পল লব ত শ শ ধর ষণ – রাজধানী ঢাকার মিরপুরের পল্লবী এলাকায় আট বছর বয়সী শিশু ধর্ষণ এবং নৃশংস হত্যার ঘটনায় বিচার পরিচালিত হয়েছিল। আদালত প্রাঙ্গণে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রেখে রায় ঘোষণার দিন আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার সকাল থেকে অপেক্ষা করেছিলেন।

বিচারক রায় পাঠানোর সময় তাদের নীরব রেখেছিলেন

৪ জুন রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের আরোপিত যুক্তিতর্ক শেষে আদালত বিচার ঘোষণা করেন। গত মঙ্গলবার মামলায় স্বাক্ষর হয়েছিল প্রায় ১৮ সাক্ষী থেকে একদিনে ১৬ জনের সাক্ষ্য। সব মিলিয়ে মামলাটি পাঁচ দিনের মধ্যে সমাপ্ত হয়।

বেলা ১১টার পর রায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিচারক প্রায় ৩৫ মিনিট সময় ব্যয় করেন রায়ের প্রধান অংশ পাঠিয়ে। পুরো সময় সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার স্বাভাবিক আচরণ করেন। সোহেলকে গায়ে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট ও মাথায় হেলমেট পরিয়ে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। স্বপ্নাকে হেলমেট পরিয়ে বসিয়ে রাখা হয়।

সোহেল ও স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়

আদালতের রায়ে সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার মৃত্যুদণ্ড প্রদান করা হয়। সোহেলকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড এবং স্বপ্নাকে দুই লাখ টাকা দেওয়া হয়। রায় পড়ার আগে স্বপ্নাকে কিছুক্ষণ কাঁদতে দেখা যায়।

রায় ঘোষণার পর দুপুর ১২টার দিকে সোহেল ও স্বপ্নাকে কাঠগড়া থেকে বের করার সময় জনতা খুনি খুনি স্লোগান চলে। অনেকে তাদের ফাঁসি কার্যকরের দাবি জানান।

মামলার এই সমাপ্তির সাথে দেশ-বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী ঘটনার স্মৃতি জাগিয়েছিল। গত ১৯ মে শিশুটির বাবা পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন। সোহেল রানা তার বাসায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর শিশুটিকে হত্যা করেন। তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার তা�

Leave a Comment