পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ–হত্যা: সোহেল ও তাঁর স্ত্রীর ফাঁসির রায়
পল লব ত শ শ ধর ষণ – পল্লবীতে ধর্ষণ ও গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বাইশ বছরের শিশুকে বিচার করে আদালত সোহেল রানা ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক মাসরুর সালেকীন রায় পরিবর্তনের জন্য পাঁচ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আবেদন করতে পারবেন।
গত বৃহস্পতিবার মামলার পরিচালনার পর রোববার রায়ের তারিখ ধার্য করা হয়। সেদিন অভিযোগপত্র দাখিল করা হয় এবং আসামি দুই জনকে অভিযুক্ত করে মামলা ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। রাষ্ট্রপক্ষ উল্লেখ করেন যে ধর্ষণ, হত্যা এবং লাশ গুমের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।
মামলার নথিপ্রাপ্তি ঘটনার চার দিনের মধ্যে সম্পন্ন হয়। গত ২৪ মে বিকেলে পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান ঢাকার ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। সেদিনই ট্রাইব্যুনালে মামলার বিচার শুরু হয়।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অপেক্ষাকৃত কম শাস্তি দাবি করেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন অভিযুক্ত হয়। আটক সোহেল রানাকে ঘটনার দিন মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর স্ত্রী তাঁকে পালাতে সহায়তা করেন।
পল্লবীর একটি পাঁচতলা ভবনে শিশুর মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করা হয় গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ১০টায়। কাঁধ থেকে দুই হাত আংশিক বিচ্ছিন্ন ছিল। একটি রঙের বালতি থেকে মাথা উদ্ধার করা হয়।
আদালত বলেন, এ ধরনের ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রয়োজন হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মামলার বিবরণে বলা হয়, যে বাসায় শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়, তার পাশের বাসায় বাদীর পরিবার থাকত। সেদিন সকাল সাড়ে ৯টায় বাসা থেকে বের হলে তাকে পাশের বাসায় নিয়ে আটকে রাখা হয়। পরে তাকে ধর্ষণ করে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
১৬ জন সাক্ষী একদিনে সাক্ষ্য দেয়া হয়। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে মামলার পরিচালনায় রাষ্ট্রনিযুক্ত বিশেষ পিপি আজিজুর রহমান দুলু রাষ্ট্রপক্ষে কাজ করেন। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ পরিচালনা করেন।
গত ২০ মে সোহেল রানা আদালতে জবানবন্দি দিয়ে হত্যার দায় স্বীকার করেন। তিনি বলেন, তিনি ইয়াবাসেবী। ঘটনার দিন দরজা খুলে সিঁড়িতে কে দেখে �
