দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে ধসের ঘটনা
দ ব ত য় ত স ত – রংপুরের গঙ্গাচড়ায় অবরুদ্ধ বৃষ্টির কারণে দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর সংযোগ সড়কে বিভিন্ন স্থানে ধসের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। সড়কের নানা স্থানে বালু ধসে গিয়ে বৃহৎ গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রংপুর-দ্বিতীয় তিস্তা সেতু-কাকিনা সড়কটি বুড়িরহাট থেকে মহিপুর হয়ে লালমনিরহাটের কাকিনা, হাতীবান্ধা, পাটগ্রাম ও তুষভান্ডার পর্যন্ত বিস্তৃত। বৃষ্টির কারণে সড়কের নিচের অংশ ধসে পড়ায় যানবাহন চলাচল মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়েছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা বৃদ্ধি পেয়েছে।
‘সড়�টি আগে ভালোই ছিল। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় এমন অবস্থা হয়েছে। রোগী নিয়ে চলাচল করতে খুব সমস্যা হচ্ছে। কিছু সময় গুরুতর রোগী থাকলে ঝুঁকি নিয়েই গাড়ি চালাতে হয়,’ বলেন হাতীবান্ধা থেকে আসা অ্যাম্বুলেন্স চালক হামিদুল ইসলাম।
সেতু এলাকার বাসিন্দা মাহামুদ মিয়া জানান, সড়কগুলো বালুর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে। পানি নেমে যাওয়ার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই বলে তিনি আরো দৃঢ় ভাবে বলেন, ‘যদি কিছু দূর পরপর ড্রেনেজ ব্যবস্থা করা যেত, তাহলে এভাবে ক্ষতি হতো না। এবার সংস্কারের পাশাপাশি যেন সড়ক থেকে পানি নেমে যাওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়।’
লক্ষীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, এটি রংপুর ও লালমনিরহাট অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত সড়ক। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির ফলে সড়কের নিচের অংশ ধসে গেছে। দ্রুত সংস্কার না হলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
‘এই কয়েক দিনেই সড়কটির অবস্থা খুব খারাপ হয়ে গেল। বৃষ্টির কারণে কয়েক জায়গায় ধসে গিয়ে বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। আরেকটু বেশি বৃষ্টি হলেই সড়কের আরও বড় অংশ ভেঙে যেতে পারে,’ জানান পথচারী আসাদুজ্জামান।
উপজেলা প্রকৌশলী শাহ মুহম্মদ ওবায়দুর রহমান বলেন, ধসের বিষয়টি জানার পর জনপ্রতিনিধি ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত অংশ দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
