গাজীপুরে সকালে যানজট থেকে স্বস্তি ফিরেছে কিন্তু বৃষ্টি দুর্ভোগ বাড়িয়েছে
গ জ প র র তভর য – গাজীপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে রাতভর যানজটে নাকাল হওয়ার পর সকালে কিছুটা পুনরায় স্বাভাবিকতা আসে। তবে প্রতিদিন অতিরিক্ত বৃষ্টি নারী-পুরুষদের দুর্ভোগ তৈরি করেছে। পরিবহন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে বৃষ্টিতে জামাই হওয়া মহাসড়ক সম্পূর্ণ অবরুদ্ধ হয়ে গেছে।
ঈদের ছুটি ও দুর্ভোগ
গতকাল মঙ্গলবার দেড় হাজার পোশাক কারখানার সাথে প্রায় আড়াই হাজার কারখানায় একযোগে ঈদের ছুটি ঘোষণা করা হয়। এতে দুপুরের পর থেকে লাখো মানুষ বাসস্ট্যান্ড এবং ট্রেন স্টেশনে ভিড় করে। ফলে ঢাকা থেকে রওনা হওয়া যাত্রীদের কাঙ্ক্ষিত গাড়ি পেতে হয়নি, তারা খোলা ট্রাক ও পিকআপ ভ্যানে পরিবহন করেছেন।
চন্দ্রা পার হতে দুই ঘণ্টা বেশি সময় লাগে। নাকাল হওয়া যাত্রীদের খোলা গাড়ি ব্যবহারে স্বাভাবিকতা ঘটেছে। তবে বৃষ্টি দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে। যাত্রীদের পিছু ছাড়ল না যাত্রীদের জন্য গাড়ির প্রয়োজন হয়েছে নাকাল যাত্রীদের পিছু ছাড়ল না।
“যাত্রীদের পিছু ছাড়ল না, শেষ সময়ে এসে চার গুণ ভাড়া গুনতে হচ্ছে। বৃষ্টি বেড়েছে এবং সুযোগ বুঝে চার গুণ বেশি ভাড়া আদায় করছে বাসগুলো।” – বগুড়া জেলার বাসিন্দা সাঈদ
নাওজোড় হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সওগাতুল আলম জানান, বৃষ্টির কারণে ভোগান্তি বেড়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদেরও দায়িত্ব পালনে সমস্যা হচ্ছে।
সড়ক বিভাগ বলছেন, চন্দ্রায় শেষ সময়ের যাত্রীদের গন্তব্যে যাওয়া কষ্টকর হয়েছে। পুলিশ এবং পরিবহন বিভাগের স্বেচ্ছাসেবকরা যানবাহনের চাপ কমাতে কাজ করছেন।
