কেরানীগঞ্জে গৃহবধূকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, তিন আসামী গ্রেপ্তার
ক র ন গঞ জ গ হবধ – কেরানীগঞ্জ গৃহবধূ ধর্ষণের অভিযোগ উঠার পর তিন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) সন্ধ্যার সাড়ে সাতটার দিকে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের এক ঘন্টার মধ্যে তদন্ত অভিযান চালিয়ে আসামীদের ধরা হয়। ঘটনাটি দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ইকুরিয়া এলাকায় ঘটেছিল, যেখানে একজন গৃহবধূকে অপহরণ করে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়।
ধর্ষণের ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. লিটন (৪০ বছর), ইউসুফ হোসেন ফারুক (৫৭ বছর) এবং মো. ইয়াসিন (২২ বছর)। তাঁরা সবাই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের স্থানীয় বাসিন্দা। মামলায় প্রকাশ করা হয়েছে যে ভুক্তভোগী গৃহবধূ সেন্টার গলির একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। তিনি প্রায় এক সপ্তাহ আগে পূর্বপরিচিত নাদিম নামে এক ব্যক্তির হাত থেকে পাঁচ হাজার টাকা ধার নেন। এই জামিনদার ছিলেন লিটন। ঘটনার পর তিনি হত্যার হুমকি দেন।
বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার দিকে লিটন এবং অপর দুই আসামী ভুক্তভোগীর হাতে টাকা ফেরত নিতে গেলে তাঁকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। তাঁকে জোরপূর্বক মোটরসাইকেলে হাসনাবাদ এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে লিটন প্রথমে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে ইউসুফ হোসেন ফারুক ও ইয়াসিন আসামীদের সাথে ঘটনায় অংশ গ্রহণ করেন। মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে ঘটনার স্থানে আরও কয়েকজন পাহারা ছিল।
ভুক্তভোগীর স্বামী জানান, ঘটনার পর তিনি আরও নিশ্চিহ্ত হতে চাইলে অভিযুক্তরা হত্যার হুমকি দেন। রাতে নট দিকে তাঁর স্ত্রীকে বাসার সামনে নামিয়ে দেন এবং ঘটনার কথা খুলে বলেন। পরে আজ থানায় মামলা করার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে তিন আসামীকে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের প্রতিবেদন এবং আরোপকৃত অভিযোগ
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল আলম জানান, অভিযোগ গ্রহণ করার পর মামলা দায়ের করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে কয়েক ঘন্টার মধ্যে তিন আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ঘটনার স্থানে পুলিশের দ্বারা তদন্ত করা হয়েছে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে সংবাদ সংগ্রহ করা হয়েছে।
পুলিশের তদন্ত অনুযায়ী, অভিযুক্তরা গৃহবধূকে কৃত্রিম ভাবে ক্ষতি করেন। তাঁদের নিয়ন্ত্রণে তিনি রাতে নট দিকে বাসার সামনে নামিয়ে দেওয়া হয়। এই সময় ভুক্তভোগীর স্বামী তাঁকে বিপর্যয়ের কথা বলেন। এই ঘটনার পর ভুক্তভোগী ঘটনার সম্পূর্ণ কথা খুলে বলেন। সেন্টার গলির ভাড়া বাসায় অপরাধের সাক্ষ্য দেওয়া হয়েছে।
বর্তমানে ঘটনার সম্পর্কে সম্প্রসারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। গৃহবধূ কেরানীগঞ্জে স্থানীয় বাসিন্দাদের সাথে বিশেষ সম্পর্ক রেখেছিলেন। অভিযুক্তদের পুলিশের পরিচয় নিয়ে আলোচনা চলছে। অপরাধের প্রতি�
