খুলনায় যৌথ অভিযান চালিয়ে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে প্রচেষ্টা
খ লন য় ব শ ষ য – খুলনায় বিশেষ যৌথ অভিযান খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের প্রধান নেতৃত্বে চালানো হচ্ছে, যা আগাম তথ্য ফাঁসের কারণে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারে বিশেষ কঠিনতা সৃষ্টি করেছে। অভিযানের প্রথম চার দিনে কার্যক্রমে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১৮৪ জন অপরাধী, যাদের মধ্যে মাদক কারবারি, চাঁদাবাজ এবং সন্ত্রাসী রয়েছেন। তবে শীর্ষ সন্ত্রাসীদের ধরার জন্য পুলিশ আগে থেকেই তথ্য ফাঁসের আশঙ্কায় বিশেষ যত্ন নিচ্ছেন।
প্রতিরোধ ও অপরাধীদের গোপনীয়তা চ্যালেঞ্জ
অভিযানের প্রকৃতি খুলনায় বিশেষ যত্নের সাথে গঠিত হয়েছে, যেখানে অপরাধীরা পুলিশের আগাম তথ্য ফাঁসের কারণে অনুমান করে গোপনে থাকার চেষ্টা করছেন। এ প্রসঙ্গে নগরীর ময়লাপোতা এলাকার বাসিন্দা হুমায়ুন কবীর বলেন, ‘তিন দিন ধরে সন্ধ্যার পর বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে খুলনায় বিশেষ যৌথ বাহিনী অভিযান চালাচ্ছেন। যদিও ছোটখাটো ক্ষেত্রে মাদক কারবারি ধরা পড়েছেন, কিন্তু শীর্ষ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার হয়নি।’
খুলনায় বিশেষ যৌথ অভিযানের সময় নগরের বিভিন্ন অলিগলিতে মাদকের হাট বসে। অভিযান শুরু হলে তাদের দেখা যায় না। কিন্তু অভিযান শেষ করে যৌথ বাহিনী চলে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তারা আবারও পয়েন্টগুলোতে এসে মাদক বিক্রি করে। আমাদের প্রশ্ন হয়েছে—কীভাবে তারা খুলনায় বিশেষ যৌথ অভিযানের আগাম তথ্য পায় এবং গ্রেপ্তার হয় না কেন?
অভিযানের প্রকৃত প্রতিবেদন
খুলনায় বিশেষ যৌথ অভিযানের প্রকৃত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সন্ত্রাসীদের অপরাধ কার্যক্রম ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় শেখপাড়া চামড়াপট্টিতে খুলনায় বিশেষ যৌথ বাহিনী অভিযান চালায়। সেখান থেকে তিন পুরিয়া গাঁজাসহ দুজন অপরাধী আটক করা হয়েছে। তবে মূল সন্ত্রাসীদের খুঁজে পাওয়ার জন্য আরও অভিযান চালানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছেন।
খুলনায় বিশেষ যৌথ অভিযানের জন্য পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থাগুলো সমন্বয় করেছে। অপরাধীদের গোপনীয়তা বজায় রাখতে পুলিশ প্রতিটি পয়েন্টে গুরুত্বপূর্ণ নজর রাখছেন। তাদের অবস্থানের ধরে পাওয়ার জন্য সামগ্রিক গুপ্তচর কাজ চলছে। কসাই লিটন এবং আজম খান ধরা পড়েছেন, কিন্তু তারা খুলনায় বিশেষ যৌথ বাহিনীর প্রধান নন। তাদের খুঁজে পাওয়ার জন্য সময় সময় বিশেষ যৌথ অভিযা�
