৩৬ বছরের অপেক্ষা ফুরোল স্কটল্যান্ডের
৩৬ বছর র অপ ক ষ ফ – পূর্বে বিশ্বকাপে স্কটল্যান্ডের আগমন কোনো বিস্ময় ছিল না। স্কটিশ দল বিশ্বকাপের মাঠে নিয়মিত অংশগ্রহণ করে আসছে। কিন্তু জয় শব্দটি তাদের কাছে ছিল অমাবশ্যার চাঁদ মতো দূরে থাকা। এই সফরে দীর্ঘ ৩৬ বছর পর তাদের অপেক্ষা ফুরোল হয়েছে।
বোস্টনে আজ অনুষ্ঠিত ম্যাচে হাইতিকে স্কটল্যান্ড হারিয়েছে গোলের দেখা পেয়ে। দলটি প্রথমার্ধ শেষে বিশ্বকাপে প্রথম গোল করে সুযোগ পেয়েছিল। ২৮ মিনিটে বেন গ্যানন পাস করে জন ম্যাকগিনকে সুযোগ দেয়, যিনি শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকতা সারেন। হাইতি গোলরক্ষক জনি প্লাসিদের দেখা পেয়ে প্রথম গোলের অনুমতি দেয়।
দ্বিতীয়ার্ধে খেলা শুরু হতে না হতেই হাইতি সমতা ফেরার সুযোগ পেয়েছিল। ৪৬ মিনিটে পিয়েরে ও উইলসন ইসিদ দুজনে রক্ষণদুর্গ ভেদ করে ঢুকে পড়েছিলেন, কিন্তু লক্ষ্য ছেড়ে পারেননি। স্কটিশ ডিফেন্ডার অ্যারন হিকি হয়েছিল বিষয়টি জানান।
সমতার উপর দৃঢ়তা
প্রথমার্ধে স্কটল্যান্ড শেষ করে আগে বিশ্বকাপের জয়ের প্রতিষ্ঠা করে দেয়। দ্বিতীয়ার্ধে হাইতি আবার সমতার দিকে বাড়তি সুযোগ পেয়েছিল, কিন্তু তা কাজে লাগাতে পারেনি। ম্যাচের শেষ পর্যন্ত স্কটল্যান্ড জয় করে বিশ্বকাপের চতুর্থ জয় পেয়েছে।
হাইতিকে না খেলানোয় হয়তো আফসোস হচ্ছিল হাইতি কোচ সেবাস্তিয়েন মিগনের। নাঁজকে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ৭৮ ম্যাচে ৪৪ গোল করেছে আজ প্রথম একাদশ তো দূরে থাক, খেলানো হয়নি বদলি হিসেবেও।
স্কটল্যান্ড আজ হাইতিকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম গোল করেছে। কোচদের সঙ্গে করমর্দন করে স্কটিশ খেলোয়াড়রা রেফারির শেষ বাঁশি নিয়ে এগিয়ে থাকে।
পরবর্তী সফরের আগে সময় মুখে নিয়েছে
স্কটল্যান্ডের পরবর্তী প্রতিপক্ষ মরক্কো। ২০ জুন বাংলাদেশ সময় ভোর চারটায় শুরু হবে তাদের ম্যাচ। গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্কটিশদের প্রতিপক্ষ ব্রাজিল। ২৫ জুন মায়ামিতে বাংলাদেশ সময় ভোর চারটায় শুরু হবে ব্রাজিল-স্কটল্যান্ড ম্যাচ।
৪৮ দলের বিশ্বকাপে শুরু হবে নকআউট পর্ব। এ পর্যায়ে শেষ ষোলো, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ও ফাইনাল দিয়ে বিশ্বকাপ শেষ হবে। ১৯ জুলাই নিউজার্সির �
