ব্রাজিলকে মনে করিয়ে আবারও ৭-১ গোলে জিতল জার্মানি
ব র জ লক মন কর য – ব্রাজিলকে মনে করিয়ে আবারও সেমিফাইনালে ব্রাজিলের জালে সাত গোল দিয়েছিল জার্মানি, কিন্তু এবার এটি বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে সেই পুনরাবৃত্তি ঘটিয়েছিল। এই ম্যাচে জার্মানি কুরাসাওকে ৭-১ গোলে পরাজিত করে স্পষ্ট প্রমাণ দিয়েছিল যে তারা বিশ্বের সেরা দলগুলির সামনে দাঁড়াতে সক্ষম। এ মুহূর্তে খেলার ফলাফলের সঙ্গে সামঞ্জস্য ঘটিয়েছিল একটি দীর্ঘ আলোচনা যা দুই কোচের বয়সের বিশাল ব্যবধানের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছিল।
ম্যাচের সামঞ্জস্য ও ফুটবলীয় ব্যবধান
হিউস্টন স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হতেই ব্রাজিলকে মনে করিয়ে আবারও জার্মানি প্রমাণ করে দিয়েছিল যে তাদের শক্তিশালী গোলরক্ষণ এবং প্রতিপক্ষের প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হয়েছিল। কুরাসাওয়ের স্বাগতিক দল কোচের বয়সের বিশাল ব্যবধানের কারণে তাদের প্রস্তুতি সম্পর্কে আলোচনা করেছিল, কিন্তু জার্মানি ক্ষমতার স্বাদ নিয়ে ক্ষমতার স্বাদ নিয়ে গোল করেছিল। প্রথম গোলের সময় তাদের খেলোয়াড়দের স্পীড ও সঠিকতা দেখানো হয়েছিল।
প্রতিপক্ষের সামঞ্জস্য ও খেলার অগ্রগতি
জার্মানি দল কুরাসাও বিরুদ্ধে গোলে গোলে ক্রমাগত সামঞ্জস্য খুঁজে বেড়ায় কিন্তু সেই আনন্দের স্থায়িত্ব বেশি হতে দেয়নি তাদের বিজয়ের পথ। দ্বিতীয় গোল করার সময় এনমেচার বাইরে থেকে কার্লিং শট করে সম্পূর্ণ নতুন শক্তি জোগানো হয়েছিল। কুরাসাও প্রথম সমতা ফেরায় কিন্তু জার্মানি আবারও আগানো প্রয়াস করে স্কোর লাইন গোল দিয়ে স্থির রাখে।
সেবার সেমিফাইনালে জার্মানি ব্রাজিলকে মনে করিয়ে আবারও ৭-১ গোলে জিতেছিল। তারা এবার বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্রটির বিপক্ষে সেই বিপুল গোলের সূচনা করেছিল। এই ফলাফল দেখিয়ে দিয়েছিল যে জার্মানি নিজের বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় আত্মবিশ্বস্ত হতে পারে।
ম্যাচের তৃতীয় গোল করেছিল ম্যানুয়েল নয়্যারকে পরাজিত করে সামনের দল প্রাপ্ত সমতা ফেরায়। এনমেচার এবং ডি-বক্সে ব্রাজিলকে মনে করিয়ে আবারও গোল করে দল ক্রমাগত ক্ষমতা বাড়ায়। প্রথমার্ধে ম্যাচটি জার্মানি পরাজিত করেছিল কিন্তু কুরাসাও তাদের ক্ষমতার সামনে আরও গোলের সূত্রে উত্তর দেয়।
প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে এনমেচাকে ডি-বক্�
