স্রোতের বিপরীতে হেঁটে স্পেনের বিশ্বজয়ের নায়ক তোরেস
স র ত র ব পর ত – যে ম্যাচটি স্পেন এবং মেস্তায়ার মধ্যে অক্টোবরে সাত বছর আগে হয়েছিল তার স্মৃতি এখন আর কারও মনে রাখার প্রয়োজন নয়। সেই ম্যাচে ভ্যালেন্সিয়ার হয়ে অভিষেক হয়েছিল এক ছোট বয়সী কিশোরের। যে কিশোর পরে বিশ্ব ফুটবলের চেনা নাম হয়ে উঠেছিল ফেরান তোরেস।
তোরেস স্পেনের ফইওস শহরে জন্ম নেওয়া একটি খেলোয়াড়। মাত্র ছয় বছর বয়সে তিনি ভ্যালেন্সিয়ার একাডেমিতে যোগ দেন। তিনি যে অভ্যন্তরীণ রাজনীতির বিপক্ষে লড়াই করেন, সেটা ছাড়া তাঁর সম্পূর্ণ ক্যারিয়ার সম্পর্কে কেউ ভাবতে পারেনি।
‘সত্যি বলতে ও সেদিন কেমন খেলেছিল, আমার মনেই নেই। আমাদের সঙ্গে তো সে আলাদা করে কোনো নজরই কাড়েনি।’
ভ্যালেন্সিয়ার ঐতিহ্যবাহী একাডেমি থেকে জর্দি আলবা, ইসকো কিংবা ডেভিড সিলভার মতো তারকারা উঠে এসেছিল। তোরেসও ছোট বয়সে মূল দলে নিজেকে স্থান দখল করেন। কিন্তু ক্লাবের অভ্যন্তরীণ সংঘর্ষ এবং তৎকালীন অধিনায়কের সাথে দূরত্বের বিতর্ক তাঁকে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ফেলে।
তিনি মাত্র ২০ বছর বয়সে একটি প্রতিযোগিতায় নিজেকে প্রমাণ করেন। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রতিযোগিতার শেষ পর্বে তাঁর জোরালো গোলটি স্পেনের সামগ্রিক জয়ের কাহিনীকে একটি নতুন মূল্য দেয়।
২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের দ্বিতীয়ার্ধে কেবল ৩৭ সেকেন্ডে তোরেস আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগকে স্তব্ধ করে দেন। নিকো উইলিয়ামসের হেড ক্রস থেকে তিনি বক্সে চোখ বুঝিয়ে দেন নিজের ক্ষিপ্রতা। সেই গোলটি স্পেনের ফুটবলে বিশ্বজয়ের নতুন মহাকাব্য যোগ করে।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ম্যাচটি হয়েছিল শ্বাসরুদ্ধকর। পুরো স্টেডিয়াম স্নায়ুচাপে কাঁপছিল। অতিরিক্ত সময়ে তোরেসের তাঁবু হাজির হওয়া বিশ্বকাপের ইতিহাসে অপরিসংখ্যানযোগ্য একটি স্থান তৈরি করে। তাঁর নাম যেন স্প্যানিশ ফুটবলের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে চিরকাল।
নিজেকে প্রমাণ করার সংগ্রাম
ভ্যালেন্সিয়া থেকে ম্যানচেস্টার সিটিতে প্রবেশ করেন তোরেস। তিনি পেপ গুয়ার্দিওলার চোখে নিজেকে প্রমাণ করেন। পরবর্তীতে বার্সেলোনায় ফিরে আসেন। প্রতিটি ধাপে তাঁর চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে নিজের ম�
