প্রবাসী ছোঁয়ায় মুখর বিশ্বকাপ: অন্তর্জাতীয় বৃত্তি ও জাতীয় আস্থা
প রব স ছ য় য় ম – প্রবাসী ছোঁয়ায় বিশ্বকাপে সীমাহীন উল্লাস আবেগঘন করেছিল একটি দুর্দান্ত হাফ ভলির জেরে। সুইডেনের গোলদাতা ইয়াসিন আয়ারি এই বিশ্বকাপের মাঠে অপ্রতিদ্বন্দ্বিতার দৃশ্য প্রদর্শন করেন। তাঁর হাত জোড় করার দৃশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার চেয়ে বেশি ভাবে মিশেছিল তাঁর জাতীয় ভাবনা। সবুজ ঘাসের প্রতি চুম্বন করার সময় তিনি স্বাভাবিক দৃশ্য তৈরি করেছিলেন, কিন্তু কেন এই ক্ষমা প্রার্থনা সহ ভাবে মিশেছিল?
এটি তিউনিসিয়ান রক্তের প্রতিশ্রুতির পরিচয়। গোলটি করার দেশ তাঁর বাবা এবং মাতার জন্মভূমি। আধুনিক ফুটবলের বিশ্বকাপ ইতিহাসে তাঁর এই প্রবাসী ছোঁয়ায় স্থাপিত এক নতুন বাস্তবতার সংকেত হিসেবে প্রমাণ করেছিল। এই সময় বিশ্বকাপ বিশ্বায়ন ঘটনা ও জাতীয় আস্থার সমন্বয় দেখা গেল।
প্রতিভার বিশ্ব যাত্রা
ফুটবল আর কেবল মানচিত্রের কাঁটাতারে সীমাবদ্ধ খেলা নয়। এটি আসলে ছড়িয়ে থাকা শিকড় আর প্রবাসী ছোঁয়ায় ক্যানভাস। তাই নিয়ম শিথিল হওয়ার পর থেকে সমগ্র বিশ্বে শুরু হয়েছে এক অদৃশ্য ‘স্কাউটিং যুদ্ধ’। কে কত আগে কার ঘরের প্রতিভাকে নিজের দেশের জার্সি পরিয়ে দিতে পারে, তা নিয়ে ফুটবল ফেডারেশনগুলোর তুমুল প্রতিযোগিতা চলছে।
২০২৬ বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ১ হাজার ২৪৮ ফুটবলারের পরিসংখ্যান দেখলে চক্ষু চড়কগাছ হতে বাধ্য। প্রতি চারজনে একজন খেলোয়াড় মাঠে নামছেন নিজের জন্মভূমির বাইরে অন্য কোনো দেশের জার্সি গায়ে। যেমনটি ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র কুরাসাওতে দেখা যায় সেই দেশটির ২৬ সদস্যের স্কোয়াডের ২৫ জনই জন্মেছেন নেদারল্যান্ডসে। মাঠের ফুটবলটি কুরাসাও খেলছে, কিন্তু পেছনে শিক্ষাটা সম্পূর্ণ ডাচ জার্সির আয়োজনে।
প্রবাসী ছোঁয়ায় আর একটি সূত্র প্রমাণ করেছে বিশ্বকাপের সমাপন। মরক্কো এই ধারার বৈশ্বিক রূপকার। গত বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্টদের অর্ধেকের বেশি খেলোয়াড় স্পেন, ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস বা বেলজিয়ামে বড় হয়েছেন। ফলে ব্রাজিলের বিপক্ষে এই বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে তারা এমন একটি ক্রমবর্ধমান বিশ্বায�
