আমাদের জয়ের জন্যই সবকিছু নির্ধারিত ছিল, বললেন স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক তোরেস
গোলে ভাগ্যের মুক্তি
আম দ র জয় র জন যই – ফেরান তোরেস কর্নার ফ্লাগে সজোরে লাথি মারার সময় গোল করেন নির্ধারিত পরিস্থিতিতে। আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে পরাজিত করতে পারছিলেন না স্পেন। এই কারণে গোল করার পর তাঁর সতীর্থদের উদযাপনে বিশাল আতিশয্য ছড়ায়।
২০২২ বিশ্বকাপে তোরেস নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে শেষ মুহূর্তে মিকেল মেরিনোকে দিয়ে গোল করে অ্যাসিস্ট করেন। এই গোলে স্পেন ১-০ গোলে জিতে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ওঠে। এটি তাঁর বিশ্বকাপের প্রথম গোল হয়।
প্রতিভার আবিষ্কার
তোরেসের প্রতিভা বয়সভিত্তিক দল থেকে প্রমাণিত হয়েছে। ২০১৭ সালে অনূর্ধ্ব-১৭ ইউরোর ম্যাচে কোনো গোল বা অ্যাসিস্ট করেননি তিনি, কিন্তু তাঁর উপস্থিতি দলের শক্তি বাড়িয়েছিল।
২০১৯ সালে অনূর্ধ্ব-১৯ ইউরোয় তিনি পর্তুগালের বিপক্ষে জোড়া গোল করেন। ইউরোর সেমিফাইনালে ফ্রান্সের বিপক্ষে পেনাল্টিতে অ্যাসিস্টও করেন। তার বয়সভিত্তিক দলে অভিজ্ঞতা তাঁকে জয়ের জন্য আবারও বিশ্বকাপে কাজে লাগিয়েছে।
ফিনাল অতীতের জয়ের কথা
২০২০ সালে তোরেস জাতীয় দলের প্রথম ম্যাচে নামেন। ২০২২ বিশ্বকাপে কোস্টারিকার বিপক্ষে খেলেন ৫৭ মিনিট। দুই বিশ্বকাপ মিলে ১২ ম্যাচ খেললেও কোনোটিতে পূর্ণ ৯০ মিনিট খেলেননি তিনি। সর্বোচ্চ ৮১ মিনিট খেলেছেন এবারের বিশ্বকাপে কেপ ভার্দের বিপক্ষে।
“আমার মনে হয়, শেষ পর্যন্ত এই লক্ষ্যটা শুধু আমার নয়, ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষের। ভাগ্যে যা লেখা ছিল, সেটাই হয়েছে—আমাদের জয়ের জন্যই যেন সবকিছু নির্ধারিত ছিল।”
১৬ বছর পর স্পেন চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তোরেসের কণ্ঠে মিলেছে স্বস্তি। তিনি বলেন, “এটা আমার জন্য অনেক বড় স্বস্তির বিষয়। পুরো বিশ্বকাপজুড়ে আমাকে অনেক সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছে। কিন্তু ভাগ্যে যা লেখা থাকে, তাই-ই ঘটে। সৃষ্টিকর্তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ। তিনি সবসময় আমাকে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দিয়েছেন। আমি সবসময় বলি—সৃষ্টিকর্তা সেই মানুষদেরই দেন, যাঁরা সেগুলোর সবচেয়ে বেশি যোগ্য।”
লিওনেল মেসির দুচোখ বেয়ে অঝোরে ঝরতে থাকে পানি। তার দল কেপ ভার্দে স্পেনের বিপক্ষে ১১৪ মিনিটে মিকেল ওইয়ারসাবালকে তুলে নিয়ে নামিয়েছেন তোরেস। অফসাইড হওয়ায় তাঁর উদযাপন করতে পারেননি তবে ম্যাচে খু
