Education

অভিজ্ঞতা: সেন্ট পিটার্সবার্গে ৭ দিন

অভিজ্ঞতা: সেন্ট পিটার্সবার্গে ৭ দিন

ফোরামের প্রারম্ভ ও ভাগীদারদের অংশগ্রহণ

অভ জ ঞত – ভোর হবে না বলে মনে হয় সেন্ট পিটার্সবার্গে জুন মাসে। ঘড়িতে রাত ১১টা হলেও আকাশে গোধূলির আলো তখনো জ্বলছে। নেভা নদীর জল সোনালি আভা ছড়িয়ে পড়ে। শহরের কোলাহল তখনো শিশু বাহির হয়নি। নব্বই দিনে সেন্ট পিটার্সবার্গ ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক ফোরাম চালু হয়েছিল। আলোচনার মুখে ছিল স্থায়ী ভবিষ্যতের গঠনে সহযোগিতার বিকল্প নেই।

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার গুরুত্ব

গত ৩১ মে ঢাকা থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গে রওনা হয়েছিলাম। বাংলাদেশ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি একাডেমিক দল আসে এই ফোরামে অংশ নিতে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সৈয়দ রায়হান উল ইসলাম, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের মো. তওহিদ বিন শাফি এবং সাকিব আসাদ খান। এছাড়া ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ থেকে ড. বারেক কায়সার যুক্ত হন।

ফোরামে অংশ নিয়ে উপলব্ধি করা হয়েছিল যে বাস্তবসম্মত সংলাপের মাধ্যমে আধুনিক সমস্যার সমাধান সম্ভব। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল ‘সংলাপ স্থায়ী ভবিষ্যতের পথ’। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল পরিবর্তন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়।

বর্তমান বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, প্রযুক্তি ব্যবধান এবং ভূরাজনৈতিক সংকটের মুখোমুখি। সমস্যাগুলো কোনো দেশের নয়, কোনো দেশের উপর দাঁড়ায় সমাধানের জন্য। এসপিআইইএফে বিশ্বব্যাপী আলোচনাগুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে বাস্তবসম্মত সংলাপের দরকার।

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার সম্পর্ক

সেন্ট পিটার্সবার্গে ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ থেকে সেন্ট পিটার্সবার্গ সফরে ড. বারেক কায়সার নিয়োগ হয়। তিনি রাশিয়ার সরকার সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। আলোচনা হয় প্রযুক্তি, শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক পরিচালনার বিষয়ে। একই সময় রাশিয়ায় অধ্যয়ন করছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মত বিনিময় করা হয়।

বাংলাদেশ ও রাশিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক �

Leave a Comment