স্পেনকে স্তব্ধ করা কেপ ভার্দে গোলরক্ষককে কেন ‘দাদি’ ডাকা হয়
স প নক স তব ধ কর – বাজপাখির মতো উড়ে গিয়ে বলটি বারের ওপর দিয়ে ভাসিয়ে দিলেন কেপ ভার্দের বিশ্বসত্ত্বা গোলরক্ষক। ম্যাচের ৩৯ মিনিটে রিয়াল মাদ্রিদ তারকা কুকুরেয়ার মাইনাস থেকে ফেরান তোরেসের শট পোস্টে লেগে ফিরে এলো। ফিরতি বলে নেওয়া তোরেসের দ্বিতীয় শটটি যখন জালে জড়ানোর জন্য চলছিল, তখন গোলরক্ষকের অপরিচিত ক্ষমতা দেখা গেল। তিনি কেবল সেই বিশ্বসত্ত্বা গ্লাভস ব্যবহার করে প্রতিরোধ করেন। ঠিক ৫ মিনিট পর আবারো তোরেসের নিচু শট ডানে ঝাঁপিয়ে রুখে দিলেন তিনি। প্রথমার্ধে এই প্রতিরোধ ছিল কেবল শুরু। দ্বিতীয়ার্ধে স্পেনের আক্রমণ আরও তীব্র হয়ে ওঠে। পুরো ম্যাচে স্পেনের আক্রমণভাগ কেপ ভার্দের গোলমুখে মোট ২৭টি শট নেয়, যার মধ্যে ১৬টি ছিল ডি-বক্সের ভেতর থেকে। কিন্তু স্পেনের লক্ষ্যে থাকা ৭টি শটের প্রতিটিই অতিমানবীয় দক্ষতায় প্রতিহত করেন তিনি। নাম তাঁর জোসিমার জোসে ইভোরা দিয়াস। ফিফা ওয়েবসাইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘ডাকনামটি আমার দাদা-দাদির কারণে। আমি কখনো আমার বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকিনি। যখন আমার জন্ম হয়, আমার বাবা সেনাবাহিনীতে ছিলেন। আর আমার মাকে সবসময় কাজের জন্য ব্যস্ত থাকতে হতো। তাই আমি সবসময় আমার দাদা-দাদী ও নানা-নানীর কাছেই বড় হয়েছি। আমার পাড়ার ছেলেরা আমার চেয়ে অনেক বড় ছিল, আর আমি সবসময় রাস্তায় খেলতাম এবং প্রচুর মার খেতাম।’
নামের উৎস এবং গোলরক্ষকের জীবনী
পর্তুগিজ ভাষায় ভোজিনিয়া শব্দের অর্থ মূলত ‘ছোট দাদি/নানি’। শৈশবে কেপ ভার্দের সাঁও ভিনসেন্টে দ্বীপে তাঁর বেড়ে ওঠার গল্পের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে এই নাম। বিশ্বকাপ ইতিহাসে তাঁর প্রথম ম্যাচে স্পেনকে গোলশূন্য ড্রয়ে আটকে রেখে ঐতিহাসিক এক পয়েন্ট অর্জন করল কেপ ভার্দে। বিশ্বমঞ্চে প্রথম ম্যাচেই আলো ছড়ানো এই গোলরক্ষকের ডাকনামটি নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই।
পেশাদার ফুটবল জীবনের শুরু
গত ১৪ বছর ধরে জাতীয় দলের গোলপোস্ট সামলানো ভোজিনিয়ার জন্য স্পেনের বিপক্ষের ম্যাচটি ছিল ৯০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচ। বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক আগেই ক্লাবহীন হয়ে পড়েন তিনি; শেষ হয়ে যায় পর্তুগিজ ক্লাব জিদি চাভেসের সঙ্গে তাঁর চুক্তির মেয়াদ। তবে সম্পূর্ণ ক্লাবহীন থাকার এই মানসিক চাপ মাঠের পারফরম্যান্সে বিন্দুমাত্র পড়তে দেননি ৪০ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক। শেষ বাঁশি বাজা পর্যন্ত স্পেনের একের পর এক আক্রমণ যেভাবে তিনি একাই বিনষ্ট করেছেন, তাতে ঐতিহাসিক এই
