রোমাঞ্চের আভাস দিচ্ছে স্পেন-পর্তুগাল
র ম ঞ চ র আভ স – বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে এমন ম্যাচগুলো হয় যেগুলো ফাইনালের আগে ইতিহাস গড়ে তোলার সম্ভাবনা তৈরি করে। ডালাসে সোমবার (আজ) রাত ১টায় স্পেন ও পর্তুগালের আটে উঠার স্পর্শ হয়েছে যেখানে দুই দলের সংঘর্ষ প্রতিযোগিতার সীমান্ত ঘটে।
পর্তুগালের স্পষ্ট উদ্দেশ্য
পর্তুগালের স্পর্শ ম্যাচটি বিশেষ করে রবের্তো মার্তিনেসের দলের জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। যদিও তিনি স্পেনে জন্মগ্রহণ করেছেন, কিন্তু এখন তাঁর লক্ষ্য পর্তুগালকে বিশ্বকাপ জেতানো।
মার্তিনেস বলেন, ‘আমরা স্পেনকে খুব ভালো চিনি, ওরাও আমাদের সম্পর্কে ভালো জানে। দারুণ একটি ম্যাচ হবে। দুই দলই সুযোগ তৈরি করতে চাইবে। এমন ম্যাচে আসলে খুব কম সময়ই স্পষ্ট কোনো ফেবারিট থাকে।’
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে নিজের দেশের বিপক্ষে কোনো কোচ কখনো জয় পানি না। তবে অতীত বিপক্ষ সম্পর্কে খুব ভাবছেন না মার্তিনেস। তাঁর বিশ্বাস, ম্যাচের খেলোয়াদের অস্তিত্বের চেয়ে দিনের পারফরম্যান্সই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
স্পেনের সম্পূর্ণ শক্তি
স্পেনকে হারানোর উপায় মার্তিনেসের কাছে পরিষ্কার। বল দখল ধরে রাখা স্প্যানিশদের বিপক্ষে শুধু মাঝমাঠ নয়, পেছনের জায়গাও সমান সতর্কতার সঙ্গে সামলাতে হবে।
‘স্পেন এমন একটি দল, যাদের বিপক্ষে দুইভাবে রক্ষণ সামলাতে হয়। তাদের বিল্ডআপ থামাতে হবে, আবার লামিনে ইয়ামাল ও নিকো উইলিয়ামসের গতির আক্রমণও সামলাতে হবে,’ মার্তিনেস বলেন।
২০২৫ সালের নেশনস লিগের ফাইনালে স্পেনকে হারানোর অভিজ্ঞতা থেকে আত্মবিশ্বাস নিচ্ছে পর্তুগাল। তিনি বলেন, ‘আমাদের সেরা খেলাটা খেলতে হয়েছিল। আমরা সমানতালে লড়েছি এবং নিজেদের মতো খেলেছি। ম্যাচ যত গড়িয়েছে, আমরা ততই শক্তিশালী হয়েছি। অতিরিক্ত সময়ে আমরা অনেক সতেজ ছিলাম।’
স্পেন এই বিশ্বকাপে যেন নিখুঁত এক যন্ত্র। চার ম্যাচে চারটি ক্লিন শিট, আক্রমণে ধার, মাঝমাঠে নিয়ন্ত্রণ—সব মিলিয়ে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলকে টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা দল বলতেই হচ্ছে।
