প্রত্যাশা-প্রাপ্তি ও কর্তৃত্বের দ্বন্দ্বে ১১ দলীয় জোটে অসন্তোষ
প রত য শ প র প – ১১ দলীয় জোটের গঠন থেকে পাঁচ মাসে এখন তার ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহের ছাপ দেখা দিয়েছে। দলগুলির মধ্যে প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির মিল না হওয়ার পাশাপাশি আদর্শিক ও রাজনৈতিক দূরত্ব বৃদ্ধি পেয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংরক্ষিত নারী আসনে সব দলের মত নেওয়া হয়নি, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন, সংবিধান সংশোধন বিশেষ কমিটি কাজে যোগদানে মতপার্থক্য রয়েছে।
প্রতিশ্রুতি পূরণ হয়নি বলে মনে করছেন জোটের শরিক দলগুলির নেতারা। তারা বলছেন, বিরোধী দলের শক্তিশালী অবস্থান নেওয়া প্রসঙ্গে জামায়াতের যে ভূমিকা আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম, তা পাচ্ছি না। বিএনপি সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে জোটে থাকার কারণে তাদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে অবস্থান করছেন। অন্যদিকে জামায়াত দক্ষিণে শিবির নেতা সাদিক কায়েমকে প্রার্থী করার কথা বলছে। সংসদে বিরোধী দলীয় অবস্থান ছাড়া জোটটি কার্যকর সমন্বয় নেই বলে অনুমান করছেন নেতারা।
“আমাদের প্রাপ্তি ও প্রত্যাশার মধ্যে ব্যবধান রয়েছে। অনেক প্রত্যাশাই পূরণ হয়নি। বিশেষ করে সরকারের বিরুদ্ধে শক্তিশালী অবস্থান নেওয়া প্রসঙ্গে আমরা আশা করেছিলাম জামায়াতের সংসদে প্রতিনিধিত্ব করবে। কিন্তু তা পাচ্ছি না। আমরা অনিশ্চয়তা তৈরি করছি।” – সারজিস আলম
অন্য কয়েকটি দল জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছে। এনসিপির নেতারা বলেন, ঢাকা দক্ষিণে মেয়র পদে জামায়াতের ছাড় না দিলে জোট ছেড়ে বের হয়ে যেতে হতে পারে। তারা জানান, এ বিষয়ে কেউ কোনো আলোচনা করেনি।
বিশেষ করে জামায়াত আন্দোলনে জোট ছাড়ার আলোচনা চলছে। নির্বাচনী ঐক্যের ভিত্তিতে গঠিত হয়েছিল বলে জানান এনসিপির মহাসচিব ইউসুফ সাদিক হক্কানী। তিনি বলেন, “আমাদের মজলিসে আমেলার মিটিংয়ে জোটে থাকা না থাকার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।” চলতি মাসের ১০ তারিখে মিটিংয়ের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেন।
এ বিষয়ে জোট ত্যাগের আশঙ্কা নিয়ে কথা বলেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ। তিনি বলেন, “আমাদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ আছে। তাঁরা বলেছেন, আমরা জোট ছেড়ে বের হওয়ার ঘোষণা দিইনি।” এনসিপি এবং জামায়াতের মধ্যে একক কর্তৃত্বের অভিযোগ তুলে আসছেন নেতারা। কিন্তু তিনি বলেন, “এই অভিযোগ সঠিক না। কেউ যদি এমন অজুহাত দাঁড় করায় সেটা ভিন্ন। আমরা সবাইকে সমান দৃষ্টিতে সমা�
