বন্ধ কারখানার পুনরায় চালুকরণে বেসরকারি বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত
বন ধ ২৫ সরক র প টকল – বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে সরকারি জুট মিলগুলো পুনরায় চালু করার জন্য বিশেষ কর্মসূচি অনুসরণ করা হয়েছে। বিজেএমএল বন্ধ কারখানায় প্রায় ১৫ একর জমি লিজ দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ জুট অ্যালায়েন্স লিমিটেডকে। এ জমিতে বেসরকারি বিনিয়োগের মাধ্যমে উৎপাদন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি করার পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে। বিজেএমসির বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে ২০টি লিজের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সম্পন্ন চুক্তি অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এ বিনিয়োগের ফলে সাক্ষর করা হয়েছে প্রায় ১ হাজার ৫০ কোটি টাকার বিনিয়োগ। প্রস্তাবিত প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতিদিন প্রায় ৪০ টন পাটজাত পণ্য উৎপাদিত হবে এবং বছরে প্রায় ৩ হাজার কোটি টাকার মানুষ কর্মসংস্থান পেয়েছে। সব মিলিয়ে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার কর্মসংস্থানের লক্ষ্য পূরণের প্রতিক্রমণ করা হয়েছে।
কর্মকর্তাদের আশা
বর্তমানে সেখানে প্রতিদিন প্রায় ১৬০ টন পাটজাত পণ্য উৎপাদন হচ্ছে। সরকারি কর্মকর্তারা আশা করছেন, লিজ চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে ১৪টি মিলের এবং উৎপাদন শুরু হয়েছে ৯টি কারখানায়। বিজেএমসির সুফল পাওয়ার জন্য আগামী দুই বছরের মধ্যে এতে প্রস্তুতি চালু করা হবে।
রাষ্ট্রীয় সম্পদের কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার পিপিপি পদ্ধতি, রাজস্ব ভাগাভাগি বা যৌথ মালিকানাসহ উপযুক্ত মডেল আইনের ভিত্তিতে দীর্ঘমেয়াদি লিজ পদ্ধতি অনুসরণ করছেন।
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, ‘এতে অর্থনৈতিক আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে গেছে বেশিরভাগ সরকারি কারখানার। আধুনিক প্রযুক্তি ও নতুন বিনিয়োগের মাধ্যমে এসব কারখানা পুনরুজ্জীবিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
প্রকল্প সম্পর্কে বলা হয়, প্রতিটি পাটকলের জন্য একই পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে না। বিভিন্ন ধরনের বিনিয়োগ ব্যবস্থার মধ্যে সর্বোপরি আইন অনুযায়ী বেসরকারি বিনিয়োগ করে মিলগুলোকে পুনরায় চালু করার উদ্দেশ্য পূরণ করা হবে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. নাসিমুল গনি এবং অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। চুক্তিতে বিজেএমসির পক্ষে চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার এবং জুট অ্যালায়েন্স লিমিটেডের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মোস্তফা হায়দার সাক্ষর �
