National

পাহাড়ধসে প্রতিবছর গড়ে ২৫ জনের মৃত্যু

পাহাড়ধসে প্রতি বছর গড়ে ২৫ জনের মৃত্যু

প হ ড়ধস প রত বছর গড় – বাংলাদেশ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের গত সাড়ে ১০ বছরের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ অনুযায়ী প্রতিবছর দেশে গড়ে ২৩টি পাহাড়ধস ঘটে। এসব ঘটনায় গড়ে ২৫ জনের বেশি মানুষ মারা যায় এবং অর্ধশত মানুষ আহত হয়। ফায়ার সার্ভিস বলছে, প্রতিবছর টিলা ও পাহাড় কেটে অপরিকল্পিত বসতি স্থাপনের কারণে চট্টগ্রাম, খাগড়াছড়ি, কক্সবাজার, বান্দরবান ও রাঙামাটির মতো এলাকায় পাহাড়ধস ও মাটিচাপার কারণে প্রাণহানির ঘটনা ঘটে।

বিশেষজ্ঞদের মতে পাহাড়ে ধসের ঘটনার প্রধান কারণগুলো পাহাড়কেন্দ্রিক রাজনৈতিক অপতৎপরতা, গাছ কেটে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করা এবং অন্যান্য সমস্যার কারণে ঘটছে। গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারে গত বৃহস্পতিবার সংসদে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানান যে পাহাড়ধস ও মাটিচাপায় এই তিনটি জেলায় ৩০ জন মানুষ মারা গেছে। তাদের মধ্যে চট্টগ্রামে ৫ জন, কক্সবাজারে ১৯ জন, রাঙামাটিতে ১ জন এবং বান্দরবানে ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।

বর্ষাকালে চট্টগ্রাম সহ বিভিন্ন শহরাঞ্চলে পাহাড়সংলগ্ন অসংখ্য বসতি ধসের ঝুঁকিতে রয়েছে। এ বছর পাহাড়ধস ঘটনার সংখ্যা গতকাল পর্যন্ত ২৯টি হয়েছে। প্রতি বছর দেশে গড়ে ২৩টি পাহাড়ধস ঘটে। যার ফলে গড়ে ২৫ জন মানুষ মারা যায়। এ ছাড়া প্রতিবছর গড়ে ৫১ জনের বেশি মানুষ গুরুতর আহত হয়। হতাহতদের মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশই পুরুষ।

রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ভূমিকা

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সাবেক মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আলী আহাম্মেদ খান বলেন, পাহাড় মানুষের বসবাসের জন্য নয়। কিন্তু প্রতিবছর সেখানে বাড়িঘর উঠছে। পাহাড় কেটে ঘরবাড়ি, রাস্তা তৈরি হচ্ছে। এতে পাহাড় তার প্রাকৃতিক গঠন হারিয়ে ভারসাম্য হারিয়ে ধসে পড়ছে। এ জন্য স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনীতিকদের ভূমিকা রাখতে হবে বলে মনে করেন আলী আহাম্মেদ খান।

‘স্থানীয় প্রশাসনের সামনেই এসব হচ্ছে, এখানে স্থানীয় জেলা প্রশাসনের শিথিলতা আছে, তারা কঠোর হলে এগুলো হ

Leave a Comment