Bangladesh

শহীদ জিয়া শিশুপার্ক: স্বপ্নপুরীতে দুঃস্বপ্নের দৈত্য

শহীদ জিয়া শিশুপার্ক: স্বপ্নপুরীতে দুঃস্বপ্নের দৈত্য

নামের পরিবর্তন এবং প্রকল্পের বিলম্ব

শহ দ জ য় শ শ প – ১৯৮০ সালে প্রচারিত হয়েছিল শিশুতোষ ছায়াছবির গান ‘আমাদের দেশটা স্বপ্নপুরী’। এই গানের দৃশ্যে শিশু ও জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ অভিনয় করেছিলেন। সেই সময় তার ঝকঝকে নতুন পার্কে শুটিং হয়। কিন্তু এখন সেই শিশুদের স্বপ্নপুরী আর সত্যিই শিশুদের স্বপ্ন হতে চলেছে না।

১৯৭৯ সালে পর্যটন করপোরেশন দ্বারা স্থাপিত হয়েছিল পার্কটি। পরে তা ১৯৮৩ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল করপোরেশনে হস্তান্তর করা হয়। তখন নাম ‘ঢাকা শিশুপার্ক’ হয়। এরপর বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকা ২০০২ সালে পার্কটি নাম দেন ‘শহীদ জিয়া শিশুপার্ক’। আওয়ামী লীগের শাসনামলে শেখ ফজলে নূর তাপস মেয়র হওয়ার পর ২০২১ সালে তার নামকরণ করেন নতুন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী শিশুপার্ক হিসেবে।

শিশুপার্কের আধুনিকায়ন প্রকল্প শুরু হয় ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে। মূল ব্যয় প্রায় ৬০৪ কোটি টাকায় পৌঁছেছে যা আগে ছিল ৭৮ কোটি টাকা। প্রকল্পের কাজ শেষ হচ্ছে না সত্তর বছরেও।

বিলম্বের কারণ এবং সমস্যাগুলি

পার্কে সব কাজ শেষ হয়নি বলে তার বিস্তারিত কর্মকর্তারা জানান। ভূগর্ভস্থ পার্কিং নির্মাণের পরও সংস্কারকাজ শেষ হয়নি। বিভিন্ন সময়ে কাজ বন্ধ ছিল নানা কারণে। এখন নতুন প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলে বিলম্বের আশঙ্কা উঠেছে।

প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, ‘আগে ২০২৬ সালের ৩০ জুন পার্ক খোলা হবে বলে আশা ছিল, কিন্তু এখন তারিখ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।’

নতুন রাইড কেনার টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়নি। রাইডগুলো বিদেশ থেকে আনতে হবে। আলোচনা হয়েছে শিগগির পরিচালক নিয়োগের বিষয়ে। ইতিমধ্যে রাইড স্থাপনের জন্য হিসাব চলছে।

স্বপ্নপুরী পার্কটি তার চারপাশে কিছু আড়ম্বর হয়েছিল। কিন্তু বছরের পর বছর কাটলেও সেই জৌলুশ হারিয়ে ফেলা হয়েছিল। বর্তমানে পার্কটি রাজধানীতে উন্মুক্ত স্থান ও পরিবারিক বিনোদনের জায়গা হিসেবে ছিল মধ্যবিত্তদের পছন্দ।

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে প্রকল্পের পরিচালক আনিছুর রহমানের �

Leave a Comment