National

আরসিইপিতে যুক্ত হতে ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস মালয়েশিয়ার

মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে আরসিইপি চুক্তি অর্জনে ও রোহিঙ্গা শরণার্থীদের প্রত্যাবাসনে সহযোগিতা প্রদানে আশ্বাস দিয়েছে

আরস ইপ ত য ক ত হত – মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশ রোহিঙ্গা শরণার্থীদের দুর্দশা নিরসনে এবং আরসিইপি চুক্তি অর্জনে যৌথ কার্যালয় গ্রহণ করেছে। আসিয়ান জোটের মাধ্যমে দুই দেশ মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে সংকটের সমাধানে কাজ করবে এবং দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন। সংবাদ সম্মেলনে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মানবিক অবস্থার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও আঞ্চলিক সম্পর্ক

আনোয়ার ইব্রাহিম এবং তারেক রহমান দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে যোগদান করেছেন। বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের প্রগতি পর্যালোচনা করা হয়েছে এবং বিনিয়োগ ও বাণিজ্যের সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা সম্পন্ন হয়। এছাড়া, সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর পরিস্থিতি নিয়ে আমি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছি এবং তাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসইভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার অব্যাহত সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানাই।’

বাংলাদেশ পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায় অবস্থানরত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সংকট সমাধানের চেষ্টা করা হবে।’ দুই দেশ আরসিইপি প্রক্রিয়ায় আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংহতি গঠনে গুরুত্ব স্বীকৃতি দেয় এবং সেমিকন্ডাক্টর বিনিয়োগ, জ্বালানি, কৃষি ও শিক্ষা খাতে সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ করতে প্রস্তুতি জাহিয়েছে।

আরসিইপি প্রক্রিয়া এবং বাণিজ্য পরিসংখ্যান

রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি) রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ চুক্তি ২০২০ সালের নভেম্বরে স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০২২ সালের জানুয়ারিতে কার্যকর হয়। এই চুক্তি বিশ্বের সবচেয়ে বড় অবাধ বাণিজ্য অঞ্চল গঠনে সহায়তা করেছে।

২০২৫ সালে দুই দেশের মোট বাণিজ্যের পরিমাণ ১২ দশমিক ১৮ বিলিয়ন মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত বা ২ দশমিক ৮৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছিল। মালয়েশিয়া থেকে বাংলাদেশে আমদানির পরিমাণ ২ দশমিক ১০ বিলিয়ন রিঙ্গিত বা ৫০ কোটি ডলার। প্রধান আমদানি পণ্য হিসেবে বস্ত্র ও পাদুকা ছিল। অন্যদিকে রপ্তানির মূল উৎস ছিল পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য।

Leave a Comment